গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও মিলছে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তথ্য। আবেদন ফাইলবন্দী পড়ে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিকার চেয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন ওয়াজেদ আলী নামে স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী।
তথ্য অধিকার আইন কার্যকর হয় ২০০৯ সালে। এরপর পনের বছর পেরিয়ে গেলেও আইনটি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তথ্যের জন্য আবেদন করে এ রকম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। এই আইনের আওতায় কোনো নাগরিক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তথ্য চেয়ে আবেদন করলে ২০-৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে তথ্য সরবরাহ করার কথা। কিন্তু বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আইনটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণাও নেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর।
ওয়াজেদ আলী অভিযোগ করেন, আমি একজন নাগরিক হিসাবে “তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ ”এর ৮(১) ধারার ভিত্তিতে তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস কোনো তথ্য দেননি।
২০১৪ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত ও প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণসহ খাতওয়ারি খরচের হিসাব-সংক্রান্ত এবং কমিটির তথ্য চেয়ে এ প্রতিবেদক তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস এর কাছে গত ১৩ই জুলাই ২০২৫ আবেদন করেন। নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য সরবরাহ না করায় , তথ্য না পাওয়ায় গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে আপিল করবেন বলে জানান। এরপরও তথ্য না পেলে প্রধান তথ্য কমিশনার ও দূদক বরাবর অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একব্যক্তি জানান, গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাসহ অন্যান্য জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িত থেকে শিক্ষার মান নষ্ট করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে দূদকের অভিযান পরিচালনা হলে অনিয়ম দূর্নীতি বেরিয়ে আসবে।
এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ বরকত উল্লাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মোস্তফা শোয়েব আল ফেরদৌস সাহেবকে না পেয়ে তাহার যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার মোবাইলে ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেন নাই।
আপিল করার কথা জানিয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মামুনুর রশিদ বলেন, আপিলের কপি পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক: ডাঃ মির্জা মহিবুল হাছান, নির্বাহী সম্পাদক: মির্জা রকিবুল হাসান, সহকারী ব্যবস্থাপক: ফরিদুল আলম.
কার্যালয়: 70/E, Purana Paltan Line, 5th Floor, Dhaka-1000. নিউজ ও বিজ্ঞাপন : 01611507422 ইমেইল: bongosangbad.news@gmail.com, dailybongoshanbad@gmail.com
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বঙ্গ সংবাদ