কয়েক কোটি টাকায় হাতবদল হয়েছে রাজধানীর অন্যতম জলাধার কড়াইল ঝিল। জলাশয়ের জায়গা দখল করে এখন সেখানে তৈরি হয়েছে ঘনবসতি। নিম্ন আয়ের বহু মানুষ থাকলেও দখলদারদের তালিকায় রয়েছে সিটি করপোরেশনের কর্মচারী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা। দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান চালানোর আশ্বাস দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
মহাখালী টিএনটি খেলার মাঠসংলগ্ন কড়াইল ঝিল এখন পুরোপুরি বস্তিতে রূপ নিয়েছে। অসংখ্য বাড়িঘরের ভিড়ে জলাশয়ের অস্তিত্ব প্রায় বিলীন। সরু গলি পেরিয়ে একপ্রান্তে দেখা মেলে অল্প কিছু মৃতপ্রায় পানির। সেখানেও চলছে দখলদারদের দাপট। বাঁশের মাচা তুলে নতুন ঘর বানানোর সময় সংবাদকর্ম ীদের দেখেই অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। দখলদারদের পরিচয় জানতে চাইলে ভয়ে কেউই মুখ খোলেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালীরা এসব ঘর ভাড়া দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছেন। ভাড়া আদায়কারীদের মধ্যে সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের একজন সুপারভাইজার আব্দুল হাকিম। তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে সামনে আসে আরও তথ্য—ঝিল ভরাটের পর তোলা ঘরগুলো বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকায়। হিসাব বলছে, শতাধিক ঘর থেকে দখলদারদের পকেটে গেছে কয়েক কোটি টাকা।
প্রকাশ্য দখল চললেও রাজউক দীর্ঘদিন নিশ্চুপ ছিল। কারণ জানতে চাইলে শুরুতে অসহায়ত্বের কথা বললেও পরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “যদিও এটি আমাদের মালিকানাধীন নয়, তবুও আমাদের আওতাধীন। আমি টিম পাঠাবো—কে বা কারা এসব করছে তা খতিয়ে দেখা হবে।”
২০১৯ সাল থেকে রাজধানীর জলাশয় রক্ষায় রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে কাজ করার সুপারিশ করে আসছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
সম্পাদক: ডাঃ মির্জা মহিবুল হাছান, নির্বাহী সম্পাদক: মির্জা রকিবুল হাসান, সহকারী ব্যবস্থাপক: ফরিদুল আলম.
কার্যালয়: 70/E, Purana Paltan Line, 5th Floor, Dhaka-1000. নিউজ ও বিজ্ঞাপন : 01611507422 ইমেইল: bongosangbad.news@gmail.com, dailybongoshanbad@gmail.com
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বঙ্গ সংবাদ