ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়লেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। সব শঙ্কা কাটিয়ে একে একে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে পাঁচটি জ্বালানি জাহাজ। এর ধারাবাহিকতায় রবিবার (৮ মার্চ) দুপুরে আরও একটি এলপিজিবাহী জাহাজ বন্দরে ভিড়ছে।
এছাড়া বাংলাদেশ অভিমুখে আরও তিনটি বড় জ্বালানি জাহাজ রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ টন তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে ‘এলপিজি সেভেন’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে। রবিবার দুপুর ২টায় জাহাজটি বন্দরের জেটিতে ভেড়ার কথা রয়েছে। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই বন্দর থেকে ১৯ হাজার ৩১৬ টন গ্যাস নিয়ে ‘জি-ওয়াইএমএন’ নামের আরেকটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়।
জ্বালানি আমদানির তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা এলএনজি ও এলপিজি জাহাজগুলোই বেশি আসছে। গত ৩ মার্চ ৬৩ হাজার ৩৮৩ টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোরা’ এবং ৫ মার্চ ৬৩ হাজার ৭৫ টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জাস্সাসিয়া’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এছাড়া একই দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ টন মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) নিয়ে ‘বে-ইয়াসু’ নামের একটি জাহাজ বন্দরে আসে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে আরও তিনটি বড় জ্বালানি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। এর মধ্যে ‘লুসাইল’ আগামী ৯ মার্চ ৬২ হাজার ৯৮৭ টন এলএনজি নিয়ে পৌঁছাবে। ‘আল গালায়েল’ ১১ মার্চ ৫৭ হাজার ৬৬৫ টন এলএনজি এবং ‘লেব্রেথাহ’ ১৪ মার্চ ৬২ হাজার টন এলএনজি নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এসব জাহাজের শিপিং এজেন্সি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ইউনিগ্লোবাল, ইউনিক মেরিটাইম ও মিউচুয়াল শিপিং।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা থাকলেও এসব জাহাজ গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে আপাতত বড় কোনো বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।
সম্পাদক: ডাঃ মির্জা মহিবুল হাছান, নির্বাহী সম্পাদক: মির্জা রকিবুল হাসান, সহকারী ব্যবস্থাপক: ফরিদুল আলম.
কার্যালয়: 70/E, Purana Paltan Line, 5th Floor, Dhaka-1000. নিউজ ও বিজ্ঞাপন : 01611507422 ইমেইল: bongosangbad.news@gmail.com, dailybongoshanbad@gmail.com
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বঙ্গ সংবাদ