মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে তিনি ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তাঁর দুই বান্ধবী সমুদ্রসৈকতে থাকায় প্রাণে বেঁচে গেলেও কক্ষে ঘুমিয়ে থাকা মুক্তা নিখোঁজ হন।
এর আগে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তবে তাঁদের মধ্যে মুক্তা ছিলেন না। পরে মঙ্গলবার সকালে পুড়ে যাওয়া রিসোর্ট ও আশপাশের এলাকায় নতুন করে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।
মুক্তার স্বজনেরা উদ্ধারকাজে অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, শুরু থেকেই যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে মুক্তার সন্ধান আরও আগেই পাওয়া যেত। এ ঘটনায় রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ জনে।