ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে ৯০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত এ মাসে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সরকার সাভারে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিশেষ সভা সাভারে ২৬ লাখ টাকা ডাকাতি: মাদারীপুর থেকে ৩ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-ছুরিসহ উদ্ধার নানা সরঞ্জাম আশুলিয়ায় এসআরবি’র অভিযানে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২ গাইবান্ধায় শিশুকে দুই দফা মারধরের অভিযোগ, স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার দাবি মেসির শেষ অনুশীলনে হাসি, পাগলামি এবং আরও অনেক কিছুমেসির শেষ অনুশীলনে হাসি, পাগলামি এবং আরও অনেক কিছু শিশু অধিকার দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী গাইবান্ধায় বালু ব্যবসায়ীকে মারধর, লাখ টাকা ছিনতাই ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের অভিযোগ

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২০৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

 

ঢাকা, ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার :

 

প্রতিপাদ্য: “Lived Experiences to Meaningful Change: Promoting Clinical Social Work Practice in Mental Health”

 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB)-এর উদ্যোগে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল “Lived Experiences to Meaningful Change: Promoting Clinical Social Work Practice in Mental Health”।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, এমপি; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্য

 

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি, তাঁর বক্তব্যে বলেন:

 

সামাজিক সমস্যা শুধু আইন-আদালতের মাধ্যমে সবসময় সমাধান করা সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। যেকোনো ঘটনার ফলোআপ করতে হবে।

 

সামাজিক সমস্যা সমাধানে সমাজের সব সেক্টরের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। যেমন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাল্যবিবাহ দেওয়ার মানসিকতা দূরীকরণে কাজ করতে হবে।

 

এ ধরনের সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মী, বিশেষ করে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার প্রয়োজন। পাশাপাশি সাইকো-সোশ্যাল অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করতে হবে।

 

এছাড়া সমাজসেবা অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন।

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য

ডা. এম এ মুহিত, এমপি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন:

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারসহ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বায়ো-সাইকো-সোশ্যাল মডেলের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উপাদান নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই কার্যকর মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বহুখাতভিত্তিক (Multisectoral) দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ও যৌথ উদ্যোগের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

 

অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বলেন:

মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সামগ্রিক সুস্থতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে মানসিক সমস্যা মোকাবিলা, কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।

 

তিনি ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পেশাগত স্বীকৃতি ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন পেশাজীবীর সমন্বিত উদ্যোগ, নৈতিক মানদণ্ড এবং সেবাগ্রহীতার মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 

অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বলেন:

 

মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সমাজসেবা অফিসার পদে সমাজকল্যাণ/ সমাজকর্ম বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক নিয়োগ প্রদান এবং পৃথক বিসিএস সমাজসেবা ক্যাডার চালুর আহ্বান জানান।

 

এছাড়াও বিশেষ অতিথি  জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুর নাহার  মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সাইকিয়াট্রিস্ট, সাইকোলজিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মানসম্মত ও সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 

সভাপতির বক্তব্য

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক তাহমিনা আখতার, সভাপতি, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB) এবং উপাচার্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

 

তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন:

 

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক তাহমিনা আখতার সমাজকর্ম পেশার উন্নয়ন, পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জন্য কার্যকর ও সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।

 

প্রথমত, সমাজসেবা অফিসার ও সহকারী সমাজসেবা অফিসার পদে সমাজকর্ম/ সমাজকল্যাণ বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রচলিত অগ্রাধিকারের বিধান পরিবর্তনের ফলে এসব পদে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ নিশ্চিত করা হলে সরকারি প্রশিক্ষণ ব্যয়ের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি কমানোর পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে Right Person in the Right Place নীতি বাস্তবায়ন এবং জনগণকে আরও দক্ষ ও মানসম্মত সেবা প্রদান করা যাবে।

 

দ্বিতীয়ত, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের নিয়োগ, উপযুক্ত পদ সৃষ্টি ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিশেষ করে, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম, কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

 

তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ব্যক্তির পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট ও সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলরদের পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের সম্পৃক্ত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী এসব পেশাজীবীর পদ সৃষ্টি ও নিয়োগের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

তাঁর বক্তব্যে সমাজকর্ম পেশার যথাযথ মূল্যায়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার প্রত্যয় সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

 

এছাড়া ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খান বলেন:

 

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তা বলেন, এটি কেবল একটি পেশা নয়, বরং মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক ও পেশাগত প্রয়াস।

 

তিনি সরকারি হাসপাতাল, মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সমাজসেবা অধিদপ্তর, পুনর্বাসনকেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের পেশাগত স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানবিক, মর্যাদাপূর্ণ ও সহজলভ্য করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আজকের সেমিনার ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের বিকাশ ও কার্যকর প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সেমিনারে দেশের বিশিষ্ট নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, সামাজিক কুসংস্কার ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, সেবাপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা এবং ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের পেশাগত ভূমিকা গুরুত্ব পায়।

 

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর ও জনবান্ধব করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, কাউন্সেলর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার ও কমিউনিটিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, গবেষণা এবং নীতিগত সহায়তা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

সেমিনারটি বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের পেশাগত বিকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক ও সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB) আশা প্রকাশ করে যে, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যক্তি, পরিবার ও কমিউনিটির অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দি

য়ে আরও কার্যকর, মানবিক ও সমন্বিত সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ১২:০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

 

 

ঢাকা, ১১ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার :

 

প্রতিপাদ্য: “Lived Experiences to Meaningful Change: Promoting Clinical Social Work Practice in Mental Health”

 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB)-এর উদ্যোগে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের অ্যালামনাই ফ্লোরে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারের প্রতিপাদ্য ছিল “Lived Experiences to Meaningful Change: Promoting Clinical Social Work Practice in Mental Health”।

 

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, এমপি; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্য

 

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি, তাঁর বক্তব্যে বলেন:

 

সামাজিক সমস্যা শুধু আইন-আদালতের মাধ্যমে সবসময় সমাধান করা সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। যেকোনো ঘটনার ফলোআপ করতে হবে।

 

সামাজিক সমস্যা সমাধানে সমাজের সব সেক্টরের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। যেমন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বাল্যবিবাহ দেওয়ার মানসিকতা দূরীকরণে কাজ করতে হবে।

 

এ ধরনের সমস্যা সমাধানে সমাজকর্মী, বিশেষ করে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার প্রয়োজন। পাশাপাশি সাইকো-সোশ্যাল অ্যাপ্রোচ গ্রহণ করতে হবে।

 

এছাড়া সমাজসেবা অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে সমাজকর্ম বা সমাজকল্যাণ বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন।

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য

ডা. এম এ মুহিত, এমপি

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন:

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারসহ সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বায়ো-সাইকো-সোশ্যাল মডেলের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উপাদান নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। তাই কার্যকর মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বহুখাতভিত্তিক (Multisectoral) দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা প্রয়োজন।

 

এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত ও যৌথ উদ্যোগের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

 

অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বলেন:

মানসিক স্বাস্থ্য মানুষের সামগ্রিক সুস্থতার অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের পারস্পরিক সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে মানসিক সমস্যা মোকাবিলা, কাউন্সেলিং, পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।

 

তিনি ক্লিনিক্যাল সমাজকর্মের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পেশাগত স্বীকৃতি ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন পেশাজীবীর সমন্বিত উদ্যোগ, নৈতিক মানদণ্ড এবং সেবাগ্রহীতার মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 

অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য বলেন:

 

মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সমাজসেবা অফিসার পদে সমাজকল্যাণ/ সমাজকর্ম বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক নিয়োগ প্রদান এবং পৃথক বিসিএস সমাজসেবা ক্যাডার চালুর আহ্বান জানান।

 

এছাড়াও বিশেষ অতিথি  জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুর নাহার  মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সাইকিয়াট্রিস্ট, সাইকোলজিস্ট ও ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের সমন্বিত ও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মানসম্মত ও সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

 

সভাপতির বক্তব্য

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক তাহমিনা আখতার, সভাপতি, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB) এবং উপাচার্য, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।

 

তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন:

 

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক তাহমিনা আখতার সমাজকর্ম পেশার উন্নয়ন, পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের জন্য কার্যকর ও সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।

 

প্রথমত, সমাজসেবা অফিসার ও সহকারী সমাজসেবা অফিসার পদে সমাজকর্ম/ সমাজকল্যাণ বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক নিয়োগব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রচলিত অগ্রাধিকারের বিধান পরিবর্তনের ফলে এসব পদে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতার যথাযথ প্রয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ নিশ্চিত করা হলে সরকারি প্রশিক্ষণ ব্যয়ের অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি কমানোর পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে Right Person in the Right Place নীতি বাস্তবায়ন এবং জনগণকে আরও দক্ষ ও মানসম্মত সেবা প্রদান করা যাবে।

 

দ্বিতীয়ত, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের নিয়োগ, উপযুক্ত পদ সৃষ্টি ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিশেষ করে, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম, কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

 

তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য ব্যক্তির পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তাই সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সাইকিয়াট্রিস্ট, ক্লিনিক্যাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট ও সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলরদের পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের সম্পৃক্ত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী এসব পেশাজীবীর পদ সৃষ্টি ও নিয়োগের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

তাঁর বক্তব্যে সমাজকর্ম পেশার যথাযথ মূল্যায়ন, দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং সমন্বিত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার প্রত্যয় সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

 

এছাড়া ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহীন খান বলেন:

 

মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তা বলেন, এটি কেবল একটি পেশা নয়, বরং মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর একটি মানবিক ও পেশাগত প্রয়াস।

 

তিনি সরকারি হাসপাতাল, মানসিক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান, সমাজসেবা অধিদপ্তর, পুনর্বাসনকেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কারদের পেশাগত স্বীকৃতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান।

 

তিনি আরও বলেন, মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানবিক, মর্যাদাপূর্ণ ও সহজলভ্য করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আজকের সেমিনার ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের বিকাশ ও কার্যকর প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

সেমিনারে দেশের বিশিষ্ট নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থা, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, সামাজিক কুসংস্কার ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, সেবাপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা এবং ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের পেশাগত ভূমিকা গুরুত্ব পায়।

 

আলোচনায় আরও উঠে আসে যে, মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে কার্যকর ও জনবান্ধব করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার, কাউন্সেলর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার ও কমিউনিটিভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, গবেষণা এবং নীতিগত সহায়তা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

সেমিনারটি বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কের পেশাগত বিকাশ এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, নীতিনির্ধারক ও সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

 

ক্লিনিক্যাল সোশ্যাল ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CSWAB) আশা প্রকাশ করে যে, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যক্তি, পরিবার ও কমিউনিটির অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দি

য়ে আরও কার্যকর, মানবিক ও সমন্বিত সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।