গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিভিন্ন মামলার আসামি হয়ে পলাতক থেকেও পদে বহাল আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা । এতে করে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সেবা প্রত্যাশী। সাধারণ জনগণ ছাত্র-জনতার গণভ্যুত্থানে পদত্যাগ এবং দেশ ত্যাগ করে গত ৫ আগস্ট পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নেয় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট খুনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগ সরকার। এরপরপরই আত্মগোপনে চলে যান নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা । ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা। ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ১২জন ইউপি চেয়ারম্যানই আওয়ামী লীগে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা। কিন্তু তারা ৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক, তবুও স্বপদে বহাল রয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা। ১২ ইউপি চেয়ারম্যানদের নামে বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও, বৈষম্য ছাত্র জনতার উপর হামলা এবং জামায়াতের হত্যা চেষ্টাসহ একাধিক মামলায় অভিযোগ রয়েছে। বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাংচুর ও জামায়াতের দায়ের করা মামলায় বিভিন্ন সময় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজত পাঠিয়েছেন চার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে। তারা হলেন- উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান উপজেলা আ’লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মাসুদ আলম মন্ডল , মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জেলা আ’লীগের সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান , সাপমারা ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ইউপি সদস্য ইউনিয়ন আ’লীগের সহ-সভাপতি আবু তালেব ও কামদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আ’লীগের সাবেক সভাপতি মোশাহেদ হোসেন চৌধুরী বাবলু। গ্রেফতার হয়ে জামিনে আসার পর আবারও একাধিক মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় রয়েছেন অনেকে আত্মগোপনে। বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত...