ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রে আবাসিক এলাকায় ব্যবসায়িক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯ মোহনপুর ও পবায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুরে সিএনসি ফার্নিচার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই পুরো কারখানা গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন তরুণ উদ্যোক্তাদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক চিকিৎসকদের সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির এনসিপির নতুন সংগঠন ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স’, নেতৃত্বে ফাহিম ও নাজমুল সকালে ঘুম থেকে উঠেই মাথাব্যথা? স্ট্রোকের এই ৫ লক্ষণ অবহেলা করবেন না রেসিং সান্তান্দারকে ৩-০ গোলে হারিয়ে রিয়ালের টানা ষষ্ঠ জয় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন হুমায়ুন কবির

মোহনপুর ও পবায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২০৪৩ বার পড়া হয়েছে

যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব, জানুয়ারিতে চাহিদাভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা চালুর আশ্বাস এমপি মিলনের

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীর মোহনপুর ও পবা উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে যুব সমাজের ভূমিকা, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যুবক। ফলে দেশ গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুব সমাজই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার অন্যতম প্রধান শক্তি।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এমপি মিলন তাঁকে ‘ইতিহাসের রাখাল রাজা’ ও মহান দার্শনিক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম ছিল। দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। পাশাপাশি ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ গড়ার কর্মসূচিতে যুব সমাজকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।

দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন ও হাঁস-মুরগি পালনের মতো উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে যুব সমাজের কর্মক্ষমতা ও অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগানো যেতে পারে।

নিজের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য বলেন, কর্মসংস্থানের বিষয়টি সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে চাহিদা ও জ্ঞানভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

দক্ষ ও পারদর্শী যুবকদের সরকারি পর্যায়ে পুরস্কৃত করার বিষয়েও বক্তব্য দেন এমপি মিলন। তিনি জানান, গত বছর মোহনপুরের একজন যুবক এ ধরনের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এ বছরও একজন যুবক রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন। তরুণদের কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পরিবারের অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সন্তানদের ভালো কাজ ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

সরকারি সেবার মানোন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি। এ জন্য পবা ও মোহনপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ের কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজ করতে পছন্দ করেন এবং দেশের যুব সমাজ তাঁর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। যুবকদের দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে মোহনপুর ও পবা উপজেলায় পৃথক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক-যুবতী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে যুবকদের মধ্যে যুব ঋণের চেক, ক্রেস্ট ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

মোহনপুর উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর অর রশীদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অন্যদিকে পবা উপজেলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, পবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মতিন এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জাতীয় যুব দিবসের এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে যুব সমাজ নিজেদের কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

মোহনপুর ও পবায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্ব, জানুয়ারিতে চাহিদাভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা চালুর আশ্বাস এমপি মিলনের

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীর মোহনপুর ও পবা উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে যুব সমাজের ভূমিকা, কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তরুণদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যুবক। ফলে দেশ গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুব সমাজই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার অন্যতম প্রধান শক্তি।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এমপি মিলন তাঁকে ‘ইতিহাসের রাখাল রাজা’ ও মহান দার্শনিক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মধ্যে গভীর দেশপ্রেম ছিল। দেশের জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। পাশাপাশি ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’ গড়ার কর্মসূচিতে যুব সমাজকে প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।

দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন ও হাঁস-মুরগি পালনের মতো উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে যুব সমাজের কর্মক্ষমতা ও অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগানো যেতে পারে।

নিজের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য বলেন, কর্মসংস্থানের বিষয়টি সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে চাহিদা ও জ্ঞানভিত্তিক কারিগরি শিক্ষা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

দক্ষ ও পারদর্শী যুবকদের সরকারি পর্যায়ে পুরস্কৃত করার বিষয়েও বক্তব্য দেন এমপি মিলন। তিনি জানান, গত বছর মোহনপুরের একজন যুবক এ ধরনের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এ বছরও একজন যুবক রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন। তরুণদের কাজের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পরিবারের অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সন্তানদের ভালো কাজ ও উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।

সরকারি সেবার মানোন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি। এ জন্য পবা ও মোহনপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ের কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজ করতে পছন্দ করেন এবং দেশের যুব সমাজ তাঁর কাছে অত্যন্ত প্রিয়। যুবকদের দক্ষতা, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে মোহনপুর ও পবা উপজেলায় পৃথক বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, যুবক-যুবতী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে যুবকদের মধ্যে যুব ঋণের চেক, ক্রেস্ট ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

মোহনপুর উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর অর রশীদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অন্যদিকে পবা উপজেলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, পবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মতিন এবং উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জাতীয় যুব দিবসের এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে যুব সমাজ নিজেদের কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।