ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটে রাজধানীর পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারি


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / ২১১৯ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে ভিড় করছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চালকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পর শনিবারও ঢাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রয়কারী পাম্পগুলোতে যানবাহনের ভিড় ও দীর্ঘ সারি। অনেক স্থানে গাড়ির লাইন পাম্পের বাইরে মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও জ্বালানি তেল সাময়িকভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখার ঘটনাও দেখা গেছে।

শনিবার সকালে মহাখালী, বিজয় স্মরণীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার পাম্প পরিদর্শন ও জ্বালানি বিক্রয়কারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশিরভাগ চালকই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে স্বল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে এবং কিছু জায়গায় সাময়িকভাবে জ্বালানি শেষ হওয়ার পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

এদিকে সরকার জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) যানবাহনে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে।

বিপিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল দেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় হঠাৎ করেই জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ছুটির দিন শনিবারেও তাই রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। অনেক জায়গায় পাম্প থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন তৈরি হওয়ায় সড়কে যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জ্বালানি সংকটে রাজধানীর পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারি

আপডেট সময় : ১২:১৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিতে পারে—এমন আশঙ্কায় রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে ভিড় করছেন ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চালকরা। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের পর শনিবারও ঢাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল বিক্রয়কারী পাম্পগুলোতে যানবাহনের ভিড় ও দীর্ঘ সারি। অনেক স্থানে গাড়ির লাইন পাম্পের বাইরে মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও জ্বালানি তেল সাময়িকভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় বিক্রি বন্ধ রাখার ঘটনাও দেখা গেছে।

শনিবার সকালে মহাখালী, বিজয় স্মরণীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার পাম্প পরিদর্শন ও জ্বালানি বিক্রয়কারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশিরভাগ চালকই ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে জ্বালানি নেওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে স্বল্প সময়ের মধ্যেই কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে এবং কিছু জায়গায় সাময়িকভাবে জ্বালানি শেষ হওয়ার পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো বা সরবরাহ কমানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

এদিকে সরকার জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রয়েছে এবং আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) যানবাহনে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করেছে।

বিপিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোটরসাইকেলের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহ করা যাবে। এছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল দেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় হঠাৎ করেই জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ছুটির দিন শনিবারেও তাই রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। অনেক জায়গায় পাম্প থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন তৈরি হওয়ায় সড়কে যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।