রাজশাহী বোর্ডে ৩৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য, ফেল ১৮৬ পরীক্ষার্থী
- আপডেট সময় : ০৭:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০৬০ বার পড়া হয়েছে
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীন আট জেলার ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ১৮৬ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৬ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন বগুড়ার গাবতলীর তাসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজে। অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শূন্য পাসের হারের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নাটোরে ১২টি প্রতিষ্ঠানের ৫২ জন, নওগাঁর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ৩২ জন, বগুড়ার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ৫৪ জন, রাজশাহীর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন, সিরাজগঞ্জের চারটি প্রতিষ্ঠানের ছয়জন, পাবনার তিনটি প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন, জয়পুরহাটের দুটি প্রতিষ্ঠানের আটজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি প্রতিষ্ঠানের একজন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
জেলাভিত্তিক হিসাবে বগুড়ার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাবতলীর তাসলিম উদ্দিন তারাফদার কলেজ থেকে সর্বোচ্চ ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ ছাড়া বাগবাড়ী মডেল মহিলা কলেজ থেকে তিনজন, ধুনটের গোসাইবাড়ী উইমেন্স কলেজ থেকে দুজন, কাহালুর দুর্গাপুর আইডিয়াল উইমেন্স কলেজ থেকে দুজন এবং একই উপজেলার আল্লামের তাকিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেননি।
নাটোরের ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গুরুদাসপুরের বঙ্গবন্ধু সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি বিএম ইনস্টিটিউট থেকে ১২ জন, নাটোর সদরের আবুল খায়ের কলেজ থেকে আটজন এবং নলডাঙ্গার ছাতারভাগ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন পরীক্ষায় অংশ নেন। এ ছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এক থেকে চারজন করে পরীক্ষার্থী ছিলেন। সব মিলিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের ৫২ জনের কেউ পাস করতে পারেননি।
নওগাঁর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়ামতপুরের শাংশোইল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন, রাজাপুর বটতলীহাট মহাবিদ্যালয় থেকে আটজন এবং মান্দার মান্দা এসসি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ছয়জন পরীক্ষায় অংশ নেন। অন্য তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হননি।
রাজশাহীর ছয়টি প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন, সিরাজগঞ্জের চারটি প্রতিষ্ঠানের ছয়জন এবং পাবনার তিনটি প্রতিষ্ঠানের ১৬ জন পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রেও একই ফল দেখা গেছে। জয়পুরহাটের দুটি প্রতিষ্ঠানের আটজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট কলেজের একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।
রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. ইফফাত জেরীন বলেন, ৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করার বিষয়টি উদ্বেগজনক। কেন এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















