ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগরে টানা মানববন্ধন


সেলিম আহম্মেদ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২০৪৪ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা, জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে টানা চার দিন ধরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও স্থানীয় বাসিন্দা।

২৯ ও ৩০ অক্টোবর গাবুরা ইউনিয়নে, ৩১ অক্টোবর বুড়িগোয়ালিনী ও রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী-কৈখালী মাদার নদীর সেতুতে এবং ১ নভেম্বর শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বনদস্যুদের আত্মসমর্পণের নামে নাটকীয়তার পরও তারা পুনরায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

অংশগ্রহণকারী জেলে ও বাওয়ালিরা অভিযোগ করেন, বন বিভাগের কাছ থেকে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও মধু সংগ্রহ করতে গেলেও নৌকাপ্রতি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত বনদস্যুদের মুক্তিপণ বা চাঁদা দিতে হচ্ছে। টাকা দিতে না পারলে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।

বক্তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগ ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বনে অবৈধভাবে প্রবেশকারী নৌকা শনাক্ত করে আটক করতে পারলেও বনদস্যুদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না?

তারা সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান জোরদার, আত্মসমর্পণের নামে পুনরায় অপরাধে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত এবং জেলে-বাওয়ালিদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগরে টানা মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা, জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বনদস্যুদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে টানা চার দিন ধরে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও স্থানীয় বাসিন্দা।

২৯ ও ৩০ অক্টোবর গাবুরা ইউনিয়নে, ৩১ অক্টোবর বুড়িগোয়ালিনী ও রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী-কৈখালী মাদার নদীর সেতুতে এবং ১ নভেম্বর শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বনদস্যুদের আত্মসমর্পণের নামে নাটকীয়তার পরও তারা পুনরায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

অংশগ্রহণকারী জেলে ও বাওয়ালিরা অভিযোগ করেন, বন বিভাগের কাছ থেকে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনে মাছ ধরা ও মধু সংগ্রহ করতে গেলেও নৌকাপ্রতি ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত বনদস্যুদের মুক্তিপণ বা চাঁদা দিতে হচ্ছে। টাকা দিতে না পারলে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।

বক্তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগ ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে বনে অবৈধভাবে প্রবেশকারী নৌকা শনাক্ত করে আটক করতে পারলেও বনদস্যুদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না?

তারা সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান জোরদার, আত্মসমর্পণের নামে পুনরায় অপরাধে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত এবং জেলে-বাওয়ালিদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।