শিরোনাম ::
বাংলার ‘টেসলা’ চলে গুলশান-বনানীতে
বছরখানেক আগেও ঢাকার গুলশান, বনানীতে চলত প্যাডেলচালিত রিকশা। সেই রিকশার ছিল নির্দিষ্ট রং, ছিল ভাড়ার তালিকাও। নির্দিষ্ট সংখ্যক রিকশাই শুধু
প্রশিক্ষণ নেই, অভিজ্ঞতাও নেই; মন চাইলে রিকশা নিয়ে সড়কে
সড়কে চলাচলের বৈধতা নেই। তবুও প্রশাসনের চোখের সামনেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। সামান্য বুদ্ধি আর শারীরিক পরিশ্রমের জোরে ব্যাটারিচালিত
চাহিদার কারণে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না অটোরিকশা
বর্তমানে সড়কে চলাচলের প্রধান যান এখন অটোরিকশা। দ্রুত সময়ে সাশ্রয়ী খরচে পরিবহন ব্যবস্থার চাহিদা মেটাতে ব্যাটারিচালিত এই অটোরিকশা ছাড়া পথচলা
উড়ালপথে ‘বাংলার টেসলা’, পাল্লা দিচ্ছে বাসের সঙ্গে
রাজধানীর যানজট নিরসনে নির্মিত হয়েছিল দ্রুতগতির ফ্লাইওভারগুলো। উদ্দেশ্য ছিল দ্রুতগামী যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করা এবং সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। কিন্তু
নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিকশায় বাড়ছে ভোগান্তি
২০০৯ সালের মাঝামঝি সময়ে রাজশাহীতে আসে ইজিবাইক। তখনো সড়কে চলতো টেম্পু। পর্যায়াক্রমে ইজিবাইকের দাপটে বিলুপ্ত হয় টেম্পু। এরপরে একচেটিয়ে রাজত্ব
হঠাৎ হার্ড ব্রেকে প্রতিদিনই দুর্ঘটনা
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা এখন নতুন আতঙ্কের নাম। কোনো ধরনের আইনকানুন বা সড়ক পরিবহন বিধি


















