মোটরসাইকেলের সামনের নম্বর প্লেট ও লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি: ভোগান্তিতে সাধারণ চালক ও মালিকরা
- আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০৬৩ বার পড়া হয়েছে
রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ব্যক্তিগত ও পেশাদার কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তবে এর সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চালক ও মালিকদের ভোগান্তি। সম্প্রতি মোটরসাইকেলের সামনের নম্বর প্লেট সংযোজন, লাইসেন্স নবায়ন এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ফি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মালিকরা। অতিরিক্ত খরচ ও নানা জটিলতার কারণে অনেকেই প্রতিনিয়ত পড়েছেন আইনি ও আর্থিক সংকটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেলের সুরক্ষা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলার অজুহাতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া এবং ফি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আয়ের সঙ্গে সংগতি না রেখে হঠাৎ করে এই খরচ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী চালকরা। বিশেষ করে রাইড শেয়ারিং বা ছোটখাটো পেশায় নিয়োজিত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জন্য এই অতিরিক্ত খরচ বহন করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে।
মিরপুর ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক বাইকচালক সঠিক সময়ে নম্বর প্লেট বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপডেট করতে পারছেন না কেবল অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মোটরসাইকেল মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি সাধারণ বাইক কিনে জীবিকা নির্বাহ করা এখন দায় হয়ে পড়েছে। একে তো জ্বালানি তেল ও যন্ত্রপাতির চড়া দাম, তার ওপর নম্বর প্লেট আর লাইসেন্সের খরচ আকাশচুম্বী। সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে?”
এদিকে ট্রাফিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ রোধে সঠিক নম্বর প্লেট ও হালনাগাদ কাগজপত্র থাকা জরুরি। তবে এই প্রক্রিয়াটি যদি জটিল ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল করা হয়, তবে সাধারণ মানুষ আইন মানতে নিরুৎসাহিত হতে পারে।
ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতার কথা বিবেচনা করে মোটরসাইকেলের লাইসেন্স ফি এবং সামনের নম্বর প্লেটসংক্রান্ত খরচ যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। অন্যথায় সড়কে বৈধ কাগজবিহীন মোটরসাইকেলের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত এই জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী চালক ও মালিকরা।




















