ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান—ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগের স্বতন্ত্র ওয়ার্ড উদ্বোধন – ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ  


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগে ২০ বেডের স্বতন্ত্র ওয়ার্ড উদ্বোধন করলেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. এফ.এম. সিদ্দিকী স্যার। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও প্রচেষ্টার সফল বাস্তবায়নের এই মুহূর্তটি আমাদের বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের।

 

২০০৭ সালে তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মতিউর রহমান মোল্লা স্যার ডি-ব্লকের নিচতলায় ১৪ শয্যার একটি স্বতন্ত্র ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু ২০০৯ সালে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের স্বতন্ত্র কোনো ওয়ার্ড ছিল না। এতদিন অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধীনে ১০টি ধার করা বেড নিয়ে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে ২০২৬ সালে এসে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

এই ওয়ার্ড বাস্তবায়নে সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম ও বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. এফ.এম. সিদ্দিকী স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক ) অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর(প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, প্রক্টর: ডা. শেখ ফরহাদ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইর্তিকা রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. হাসনাত আহসান, চিফ এস্টেট অফিসার: ডা. মো. এহতেশামুল হক (তুহিন), উপ-পরিচালক ডা. শরীফ মোহাম্মাদ আরিফুল হক, চিফ ইঞ্জিনিয়ার জাফর ইকবাল সহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম স্যারের অগ্রণী ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

 

ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মাহমুদ আক্তার এবং আমি দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা ও বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছি। আজ সেই প্রচেষ্টার সফল পরিণতি দেখতে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

 

এই স্বতন্ত্র ওয়ার্ড চালুর ফলে এখন মুখের ক্যান্সার বা ওরাল ক্যান্সার, ম্যাক্সিলোফেশিয়াল ইনজুরি, মুখমণ্ডলের সিস্ট ও টিউমার, চোয়ালের জয়েন্টের সমস্যা, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা ও অসামঞ্জস্যতাসহ ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারির বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীকে বৃহত্তর চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

 

এর মাধ্যমে আমরা আরও বর্ধিত পরিসরে, আরও বেশি মানুষের কাছে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে পারব। একই সঙ্গে হাসপাতালের নতুন বেড সংযোজনের মাধ্যমে রোগীসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

আলহামদুলিল্লাহ—দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এটি আমাদের বিভাগের জন্য একটি স্মরণীয় ও আনন্দের দিন।

 

এই অর্জনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

 

(ডাঃ শাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া)

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

দীর্ঘ ১৭ বছরের প্রতীক্ষার অবসান—ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগের স্বতন্ত্র ওয়ার্ড উদ্বোধন – ডাঃ সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ  

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

 

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগে ২০ বেডের স্বতন্ত্র ওয়ার্ড উদ্বোধন করলেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. এফ.এম. সিদ্দিকী স্যার। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও প্রচেষ্টার সফল বাস্তবায়নের এই মুহূর্তটি আমাদের বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের।

 

২০০৭ সালে তৎকালীন চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মতিউর রহমান মোল্লা স্যার ডি-ব্লকের নিচতলায় ১৪ শয্যার একটি স্বতন্ত্র ওয়ার্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু ২০০৯ সালে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ ১৭ বছর আমাদের স্বতন্ত্র কোনো ওয়ার্ড ছিল না। এতদিন অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের অধীনে ১০টি ধার করা বেড নিয়ে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অবশেষে ২০২৬ সালে এসে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

এই ওয়ার্ড বাস্তবায়নে সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম ও বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. এফ.এম. সিদ্দিকী স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক ) অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর(প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ স্যার, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, প্রক্টর: ডা. শেখ ফরহাদ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. ইর্তিকা রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক ডা. হাসনাত আহসান, চিফ এস্টেট অফিসার: ডা. মো. এহতেশামুল হক (তুহিন), উপ-পরিচালক ডা. শরীফ মোহাম্মাদ আরিফুল হক, চিফ ইঞ্জিনিয়ার জাফর ইকবাল সহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতাল প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম স্যারের অগ্রণী ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

 

ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মাহমুদ আক্তার এবং আমি দীর্ঘদিন ধরে এই ওয়ার্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা ও বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছি। আজ সেই প্রচেষ্টার সফল পরিণতি দেখতে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

 

এই স্বতন্ত্র ওয়ার্ড চালুর ফলে এখন মুখের ক্যান্সার বা ওরাল ক্যান্সার, ম্যাক্সিলোফেশিয়াল ইনজুরি, মুখমণ্ডলের সিস্ট ও টিউমার, চোয়ালের জয়েন্টের সমস্যা, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা ও অসামঞ্জস্যতাসহ ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারির বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীকে বৃহত্তর চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

 

এর মাধ্যমে আমরা আরও বর্ধিত পরিসরে, আরও বেশি মানুষের কাছে উন্নত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে পারব। একই সঙ্গে হাসপাতালের নতুন বেড সংযোজনের মাধ্যমে রোগীসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

আলহামদুলিল্লাহ—দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এটি আমাদের বিভাগের জন্য একটি স্মরণীয় ও আনন্দের দিন।

 

এই অর্জনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

 

(ডাঃ শাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত ফেইসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া)