এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, চার দিন গ্যাস সংকটের আশঙ্কা
- আপডেট সময় : ০৭:৫০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / ২০৪৬ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে টানা চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে সারা দেশে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
পেট্রোবাংলার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ সময় জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
বর্তমানে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা ১০৫ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে এ দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। তবে সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এলএনজি সরবরাহ কমে দৈনিক প্রায় ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে পাওয়া যায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। বাকি চাহিদা আমদানিকৃত এলএনজি দিয়ে পূরণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের একই টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।
রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা রয়েছে।


















