ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে মমতার বৈঠক, আন্দোলনে সহযোগিতার আশ্বাস
- আপডেট সময় : ১২:১২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
- / ২০৫৫ বার পড়া হয়েছে
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আন্দোলনের মধ্যে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে তরুণদের আন্দোলনের প্রশংসা করার পাশাপাশি সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ায় মমতাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিজিৎ।
রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ কর্মসূচিতে যোগ দিতে আগের দিনই দিল্লিতে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়।
বৈঠক শেষে মমতা জানান, আগামী দিনের কর্মসূচিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা সমর্থন জানিয়েছেন। তরুণদের আন্দোলন ও উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আগামীকালের কর্মসূচিতে তাঁরা সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁদের নিয়ে তিনি গর্বিত। আন্দোলনের পথিকৃৎ ও প্রতিষ্ঠাতা তরুণেরাই। তাঁদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
এ সময় ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের পশ্চিমবঙ্গে আসার আমন্ত্রণ জানান মমতা। দেশের জন্য তরুণেরা ভালো কাজ করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে কলকাতায় দলটি কোনো সভা করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে বলে জানান তৃণমূল নেত্রী।
অন্যদিকে, অভিজিৎ দীপক বলেন, যন্তর মন্তরে তাঁদের আন্দোলনের সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে দাঁড়িয়েছেন। তরুণদের আন্দোলনে তিনি ধারাবাহিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছেন। সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেপ্তারের সময়ও মমতা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। এসব কারণে তাঁকে ধন্যবাদ জানাতেই এই সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।
অভিজিতের বক্তব্যের পর তাঁর পিঠে হাত রেখে মমতা বলেন, তরুণদের পাশে দাঁড়ানো তাঁর নৈতিক দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর অভিজিৎ দীপককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। জাতীয় পতাকা হাতে নেওয়ার কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তখন দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, স্বাধীন ভারতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কেন তরুণদের আটক হতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশকারীদের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে ভারতের যুবসমাজের সাহস, বিবেক ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে মমতা বলেন, তাঁদের কণ্ঠরোধ করে গণতন্ত্রের চেতনাকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
























