ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে উৎপাদন অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে ফেনীতে বিএনপি নেতা লিংকনের সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় যুব দিবস – ২০২৬ উদযাপিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ময়মনসিংহে সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগরে টানা মানববন্ধন নেত্রকোনায় পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ : পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে গঠন হলো মজুরি বোর্ড দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, চার দিন গ্যাস সংকটের আশঙ্কা

আইজিপির কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন এলাকাবাসীর, পাগলা থানার ওসি ও এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ ও মাদককারবারে সহযোগিতার অভিযোগ


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৯৫ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

 

ময়মনসিংহের পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ও এএসআই সাইকুলের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম এবং মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন পাগলা থানার অধীন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা।

 

আইজিপির কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযোগকারীরা বলেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ঘুষ গ্রহণ, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম এবং মাদক-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে কথিত সহযোগিতার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

 

আবেদনে আরও কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা এবং/অথবা থানার দালালি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তারা হলেন—মাফুজ (পিতা: খালেক মিয়া), দিদার (পিতা: মৃত শামসুল আলম), মজনু (পিতা: মৃত আবদুর জব্বার), শামসুল মিয়া (পিতা: মৃত মুনতাজ উদ্দিন), রমজান (পিতা: অজ্ঞাত), সত্তার (পিতা: মানিক মিয়া), লিটন মিয়া (পিতা: আবদুল মজিদ) এবং সাহিদ (পিতা: রুস্তম পালোয়ান)।

 

অভিযোগপত্রে মাফুজ নামের এক ব্যক্তিকে বিশেষভাবে থানার দালালি ও মাদক-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এসব কর্মকাণ্ডে প্রভাবশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীরা একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, তদন্তের আগে তারা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করছেন না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

লিখিত আবেদনে অভিযোগের বিষয়ে একজন নিরপেক্ষ কর্মকর্তা বা তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত, প্রয়োজনে গোপনে তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়।

 

এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষ যাতে ভয় বা হয়রানি ছাড়াই আইনগত সহায়তা নিতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

আবেদনকারীরা তাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যথাসম্ভব গোপন ও সুরক্ষিত রাখার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

আবেদনের অনুলিপি ডিআইজি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ, পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

তবে এ বিষয়ে পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম, এএসআই সাইকুল কিংবা আবেদনে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

আইজিপির কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন এলাকাবাসীর, পাগলা থানার ওসি ও এএসআইয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ ও মাদককারবারে সহযোগিতার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

 

ময়মনসিংহের পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ও এএসআই সাইকুলের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম এবং মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের অবৈধভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন পাগলা থানার অধীন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা।

 

আইজিপির কাছে দেওয়া আবেদনে অভিযোগকারীরা বলেন, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ঘুষ গ্রহণ, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম এবং মাদক-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে কথিত সহযোগিতার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

 

আবেদনে আরও কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা এবং/অথবা থানার দালালি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তারা হলেন—মাফুজ (পিতা: খালেক মিয়া), দিদার (পিতা: মৃত শামসুল আলম), মজনু (পিতা: মৃত আবদুর জব্বার), শামসুল মিয়া (পিতা: মৃত মুনতাজ উদ্দিন), রমজান (পিতা: অজ্ঞাত), সত্তার (পিতা: মানিক মিয়া), লিটন মিয়া (পিতা: আবদুল মজিদ) এবং সাহিদ (পিতা: রুস্তম পালোয়ান)।

 

অভিযোগপত্রে মাফুজ নামের এক ব্যক্তিকে বিশেষভাবে থানার দালালি ও মাদক-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এসব কর্মকাণ্ডে প্রভাবশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীরা একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, তদন্তের আগে তারা কাউকে দোষী সাব্যস্ত করছেন না। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

লিখিত আবেদনে অভিযোগের বিষয়ে একজন নিরপেক্ষ কর্মকর্তা বা তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত, প্রয়োজনে গোপনে তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করা হয়।

 

এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষ যাতে ভয় বা হয়রানি ছাড়াই আইনগত সহায়তা নিতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

আবেদনকারীরা তাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা যথাসম্ভব গোপন ও সুরক্ষিত রাখার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

 

আবেদনের অনুলিপি ডিআইজি, ময়মনসিংহ রেঞ্জ, পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

তবে এ বিষয়ে পাগলা থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম, এএসআই সাইকুল কিংবা আবেদনে নাম উল্লেখ করা ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।