দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ
- আপডেট সময় : ০২:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০৬০ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী আলোচক জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বিরুদ্ধে কথা বলার ঘটনায় অনুতপ্ত হয়েছেন তাঁর বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ। রাগের বশে এবং কিছু মানুষের প্ররোচনায় পড়ে ছেলের বিরুদ্ধে কথা বলা ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি। একই সঙ্গে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে ছেলের বিরুদ্ধে আর কোনো কথা না বলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে বাবাকে পাশে নিয়ে একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেন তাশরীফ। সেখানে তাঁর বাবা নিজের ভুল স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশ করেন।
ভিডিওতে মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বলেন, অতিরিক্ত রাগের কারণে তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিছু মানুষের প্ররোচনায় পড়ে ভিডিওতে এসে ছেলের বিরুদ্ধে কথা বলা তাঁর বড় ভুল ছিল। এ জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন ভুল আর না করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, পারিবারিক জীবনে রাগ-অভিমান থাকতেই পারে। কিন্তু ধৈর্য ধরতে না পারায় পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। ছেলের মূল্য ও অবদান যথাযথভাবে বুঝতে না পারার বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন।
ছেলের প্রশংসা করে হেদায়েতুল্লাহ বলেন, আল্লাহ তাঁকে গুণসম্পন্ন সন্তান দান করেছেন, কিন্তু তিনি সেই নেয়ামতের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারেননি। ভবিষ্যতে ছেলের আরও উন্নতি ও সাফল্য কামনা করেন তিনি।
ভিডিওতে তাশরীফ জানান, পারিবারিক বিরোধ ও মনোমালিন্য তাঁরা নিজেরাই সমাধান করতে চান। তাঁর বাবা স্বেচ্ছায় তাঁর কাছে এসেছেন এবং তিনিও বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। অতীতের বিরোধ পেছনে ফেলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মানের মধ্য দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চান তাঁরা।
তাশরীফ আরও বলেন, বাবা-মায়ের সেবা করা সন্তানের দায়িত্ব। আর্থিক ও শারীরিকভাবে যতটা সম্ভব তিনি তাঁদের পাশে থাকতে চান। প্রয়োজন অনুযায়ী বাবা-মাকে সহযোগিতা করতে চান বলেও জানান তিনি।
একই সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে অপপ্রচার না ছড়ানোর আহ্বান জানান তাশরীফ। তাঁর ভাষ্য, পরিবারের রাগ-অভিমান ও ভুল-বোঝাবুঝি পারিবারিকভাবেই সমাধান করা উচিত।
পরিবারের বিরোধ মিটিয়ে নতুনভাবে পথচলার প্রত্যাশা
বাবা-ছেলের এই ভিডিওবার্তায় তাঁদের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছে। অতীতের ভুল-বোঝাবুঝি পেছনে ফেলে তাঁরা যেন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একসঙ্গে থাকতে পারেন—এমনটাই তাঁদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।




















