ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সকালে ঘুম থেকে উঠেই মাথাব্যথা? স্ট্রোকের এই ৫ লক্ষণ অবহেলা করবেন না রেসিং সান্তান্দারকে ৩-০ গোলে হারিয়ে রিয়ালের টানা ষষ্ঠ জয় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন হুমায়ুন কবির পুতিনকে ‘বাস্তব জীবনের বন্ড ভিলেন’ ও ‘শয়তান’ বললেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী পোশাকশিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে উৎপাদন অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে ফেনীতে বিএনপি নেতা লিংকনের সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় যুব দিবস – ২০২৬ উদযাপিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ময়মনসিংহে সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগরে টানা মানববন্ধন নেত্রকোনায় পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় নিতে চাই: আইনমন্ত্রী


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২০৫৯ বার পড়া হয়েছে

ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চান বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে।

বিচারকদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো কোনো স্থানে বিচারকদের নিয়মিত আদালতে উপস্থিতি ও কর্মঘণ্টা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। কেউ যদি মাত্র দুই-তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ করে চলে যান, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচারব্যবস্থাকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব ক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণ বিচারকেরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কিছু আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে কারাগার থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং আদালত তা যাচাই করে নিচ্ছেন।

প্রযুক্তিনির্ভর বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব

বিচারাধীন মামলার চাপ কমানো, বিচারকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিচারপ্রক্রিয়াকে মানুষের কাছে আরও নির্ভরযোগ্য ও আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় নিতে চাই: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চান বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বিচারব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে।

বিচারকদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো কোনো স্থানে বিচারকদের নিয়মিত আদালতে উপস্থিতি ও কর্মঘণ্টা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। কেউ যদি মাত্র দুই-তিন ঘণ্টা আদালতের কাজ করে চলে যান, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচারব্যবস্থাকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বড় চ্যালেঞ্জ। এসব ক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তরুণ বিচারকেরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কিছু আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে কারাগার থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং আদালত তা যাচাই করে নিচ্ছেন।

প্রযুক্তিনির্ভর বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব

বিচারাধীন মামলার চাপ কমানো, বিচারকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব উদ্যোগের লক্ষ্য হলো বিচারপ্রক্রিয়াকে মানুষের কাছে আরও নির্ভরযোগ্য ও আস্থার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।