শেরপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, তিন পুলিশসহ আহত বেশ কয়েকজন
- আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / ২০৪৬ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের জেরে শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে সাড়ে চার ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া ব্যাঙের মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভোর ৬টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে সাতপাকিয়া পাইকারি কাঁচাবাজারে সবজি বহনকারী একটি গাড়ির সঙ্গে শরীরে ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে ডাকপাড়া ও সাতপাকিয়া এলাকার কয়েকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ডাকপাড়া এলাকার এক কৃষককে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এর জেরে শুক্রবার রাতে মাইকিং করে শনিবার সকালে লোকজনকে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। শনিবার সকালে দুই গ্রামের বাসিন্দারা শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুই পক্ষ সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সদর থানার ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, শুক্রবার কাঁচাবাজারে ভ্যানগাড়ির সঙ্গে ঘষা লাগাকে কেন্দ্র করে মারামারির সূত্রপাত হয়। পরে দুই গ্রামের লোকজন মাইকিং করে শনিবার সকালে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দেন। পুলিশ ভোর থেকেই ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















