ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা ঠেকাতে উৎপাদন অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে ফেনীতে বিএনপি নেতা লিংকনের সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় যুব দিবস – ২০২৬ উদযাপিত বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ময়মনসিংহে সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার দাবিতে শ্যামনগরে টানা মানববন্ধন নেত্রকোনায় পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ : পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে গঠন হলো মজুরি বোর্ড দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: রিজভী এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, চার দিন গ্যাস সংকটের আশঙ্কা

সরকারি ভাতা পেতে কাউকে টাকা দিতে হবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২০৪৬ বার পড়া হয়েছে

ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পেতে কাউকে এক টাকাও দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। এসব সুবিধা মানুষের অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাতা বা কার্ড দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে তার নাম-পরিচয় জানাতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার দুয়ারিয়া ইউনিয়নের তিনটি রাস্তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সরকারের সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এগুলো জনগণের অধিকার। এসব সুবিধা পেতে কাউকে কোনো টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা অন্য কোনো সরকারি ভাতা দেওয়ার কথা বলে কেউ টাকা দাবি করলে তার নাম লিখে তাঁকে জানাতে হবে। এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা যেন প্রকৃত উপকারভোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি বা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই পান, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা প্রতিরোধেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম গোলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আওলাদ হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সরকারি ভাতা পেতে কাউকে টাকা দিতে হবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১২:১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পেতে কাউকে এক টাকাও দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন পুতুল। এসব সুবিধা মানুষের অধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাতা বা কার্ড দেওয়ার নামে কেউ টাকা দাবি করলে তার নাম-পরিচয় জানাতে হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নাটোরের লালপুর উপজেলার দুয়ারিয়া ইউনিয়নের তিনটি রাস্তার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সরকারের সব ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এগুলো জনগণের অধিকার। এসব সুবিধা পেতে কাউকে কোনো টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কিংবা অন্য কোনো সরকারি ভাতা দেওয়ার কথা বলে কেউ টাকা দাবি করলে তার নাম লিখে তাঁকে জানাতে হবে। এ ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা যেন প্রকৃত উপকারভোগীরা কোনো ধরনের হয়রানি বা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই পান, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা প্রতিরোধেও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম গোলাম, উপজেলা প্রকৌশলী আওলাদ হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা।