ভূমি ছাড়বে না ইউক্রেইন, বললেন জেলেনস্কি
- আপডেট সময় : ০২:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
- / ২১১২ বার পড়া হয়েছে
যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে আলোচনা করতে আগামী ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় বসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এ খবরের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই বলেছেন ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট।
ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ভূখণ্ড বিষয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারে না ইউক্রেইন এবং কিইভ ‘তার ভূমি দখলদারদের দেবে না’।
ইউক্রেইনে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে আলোচনা করতে আগামী ১৫ অগাস্ট আলাস্কায় বসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
ওয়াশিংটন ও মস্কো দুই নেতার বৈঠকের জায়গা ও তারিখ নিশ্চিত করার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় জেলেনস্কি একথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রুশ-মার্কিন আলোচনার বিষয়ে ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে শুক্রবার সিবিএস নিউজ জানায়, খেরসন ও ঝাপোরিঝিয়া ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে রাশিয়া পুরো দনবাস অঞ্চল ও ক্রাইমিয়া রাখতে পারবে এমন প্রস্তাবসহ একটি চুক্তিতে ইউরোপীয় নেতাদের রাজি করাতে হোয়াইট হাউস চেষ্টা করে যাচ্ছে।
ট্রাম্প নিজেও শান্তি চুক্তিতে ইউক্রেইনকে ভূমি ছাড়তে হবে বলে এদিন ইঙ্গিত দেন।
জেলেনস্কি আলাস্কা বৈঠককে উদ্দেশ্য করে বলেন, শান্তি আনবে এমন প্রকৃত সমাধানের জন্য ইউক্রেইন প্রস্তুত। কিন্তু কিইভকে ছাড়া কোনো সমাধান হলে তা হবে শান্তিবিরোধী সমাধান।
“এই যুদ্ধ শেষ করতে হবে, রাশিয়াকেই শেষ করতে হবে। রাশিয়া এটা শুরু করেছে এবং সকল ধরনের সময়সীমা উপেক্ষা করে এটি চালিয়ে নিচ্ছে। এটাই সমস্যা, আর কিছু নয়,” এক্সে দেওয়া পোস্টে এমনটাই বলেছেন ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট।
ইউক্রেইনকে ছাড়া সিদ্ধান্ত হলে তাতে ‘কোনো কিছুই অর্জিত হবে না’ বলেও মত তার।
“সেগুলো হবে নিস্ফল সিদ্ধান্ত, কাজ হবে না এমন সিদ্ধান্ত,” বলেছেন তিনি।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “তাদের শীর্ষ সম্মেলন হচ্ছে যুদ্ধ থেকে অনেক ধরে। যুদ্ধ চলছে আমাদের ভূমিতে, আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে, যা কোনোভাবেই আমাদের ছাড়া, ইউক্রেইনকে ছাড়া শেষ করা যাবে না।”
‘প্রকৃত’ শান্তি আনতে অন্যান্য অংশীদারদের নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে ইউক্রেইন প্রস্তুত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এর আগে শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, “আপনি এমন ভূখণ্ডের দিকে তাকিয়ে আছেন যা নিয়ে সাড়ে তিন বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। অনেক রুশ নিহত হয়েছে। অনেক ইউক্রেইনীয় প্রাণ হারিয়েছে।
“এটা খুবই জটিল। আমরা কিছু ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছি। কিছু অদল বদল করতে যাচ্ছি। উভয়ের ভালোর জন্যই কিছু ভূখণ্ডের অদলবদল হবে।”



























