ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি

সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের আহ্বান, একই সময়ে মেলার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন


নিয়াম শেখ, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০৪৪ বার পড়া হয়েছে

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শপিংমল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হলেও গাইবান্ধা জেলা শহরে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লোডশেডিং নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ফ্যান-লাইট বন্ধ রাখা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধা শহরেও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির নামে মাইকিং করে সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শপিংমল বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, একই সময়ে গাইবান্ধা জেলা শহরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। মেলায় আলোকসজ্জা, এলইডি লাইট, সাইনবোর্ড, সাউন্ড সিস্টেমসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, স্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যদি সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখতে বলা হয়, তাহলে মেলার কার্যক্রম কতক্ষণ পর্যন্ত চলবে এবং সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ বলছেন, নিয়ম যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়, তাহলে তা সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রয়োগ করা উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সময়ে মেলার ব্যাপক আলোকসজ্জা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে বড় পরিসরে বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বিক্রিতে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে পোশাক, জুতা, কসমেটিকস, গৃহস্থালি সামগ্রী, খেলনা ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবসায়ীরা মেলার স্টলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারেন বলে তাদের ধারণা।

বড় আয়োজনে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে কি না, সেটিও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মেলার কারণে আশপাশের দোকানপাট ও বাসাবাড়ির স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তবে মেলা কতদিন চলবে, প্রতিদিন কতক্ষণ পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে, আলোকসজ্জায় কী পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ১০:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শপিংমল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হলেও গাইবান্ধা জেলা শহরে শিল্প ও বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লোডশেডিং নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় ফ্যান-লাইট বন্ধ রাখা এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধা শহরেও চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির নামে মাইকিং করে সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শপিংমল বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, একই সময়ে গাইবান্ধা জেলা শহরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে জাঁকজমকপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্য মেলার আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। মেলায় আলোকসজ্জা, এলইডি লাইট, সাইনবোর্ড, সাউন্ড সিস্টেমসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।

এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, স্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যদি সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখতে বলা হয়, তাহলে মেলার কার্যক্রম কতক্ষণ পর্যন্ত চলবে এবং সেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী ধরনের নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ বলছেন, নিয়ম যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয়, তাহলে তা সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রয়োগ করা উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সময়ে মেলার ব্যাপক আলোকসজ্জা ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে বড় পরিসরে বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বিক্রিতে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে পোশাক, জুতা, কসমেটিকস, গৃহস্থালি সামগ্রী, খেলনা ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবসায়ীরা মেলার স্টলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারেন বলে তাদের ধারণা।

বড় আয়োজনে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে কি না, সেটিও আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, মেলার কারণে আশপাশের দোকানপাট ও বাসাবাড়ির স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তবে মেলা কতদিন চলবে, প্রতিদিন কতক্ষণ পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে, আলোকসজ্জায় কী পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।