ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ মীর মুগ্ধের বাবাকে দোয়া মাহফিলে বাধা, লাঞ্ছিত ও হুমকি


মোহাম্মদ অলিউল্লাহ খান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি )
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

 

 

 

 

 

গত শুক্রবার, রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবাকে দোয়া মাহফিলে বাধা, লাঞ্ছিত ও প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেস্বর মুন্সিবাড়ী এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ের বীর শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা তার ছেলে সহ সকল শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে গেলে স্থানীয় এক দুষ্কৃতিকারীর হাতে লাঞ্ছিত হন।

ঘটনাটি ঘটে ২৯/০৮/২৫ ইং (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে, মাগরিবের নামাজের পর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোয়া মাহফিল চলাকালীন বাবুল খন্দকার (৫০) নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা শহীদ মীর মুগ্ধের বাবার উপর হামলা চালায় এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য করে। এ সময় বাবুল খন্দকার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, “আমার অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো আয়োজন করা যাবে না।”

 

ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একজন শহীদের পিতাকে এভাবে অপমান করা শুধু ব্যক্তি নয়, বরং জাতির আত্মত্যাগকেই অসম্মান করা। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানান সমালোচনা, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার) এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য মানুষ লিখেছেন—একজন শহীদের বাবাকে লাঞ্ছিত করা মানে গোটা জাতিকে অপমান করা।

 

একজন ফেসবুক ইউজার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন— “আওয়ামী সেটেলমেন্টের খেলা শুরু হয়ে গেছে আজ থেকেই। মাথায় রাখবেন। জুলাই কচুকাটা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই।”

 

নেটিজেনরা আরও বলছেন, শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান দেখানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ এ ধরনের ঘটনায় জাতির আত্মত্যাগকে অসম্মান করা হয়েছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।

 

এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ” অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারী বাবুল খন্দকারকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের নামতে তারা বাধ্য হবেন।।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শহীদ মীর মুগ্ধের বাবাকে দোয়া মাহফিলে বাধা, লাঞ্ছিত ও হুমকি

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

 

 

 

 

 

 

গত শুক্রবার, রাত আনুমানিক ৮ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে শহীদ মীর মুগ্ধের বাবাকে দোয়া মাহফিলে বাধা, লাঞ্ছিত ও প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিজেস্বর মুন্সিবাড়ী এলাকায় এক হৃদয়বিদারক ও লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ের বীর শহীদ মীর মুগ্ধের বাবা তার ছেলে সহ সকল শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করতে গেলে স্থানীয় এক দুষ্কৃতিকারীর হাতে লাঞ্ছিত হন।

ঘটনাটি ঘটে ২৯/০৮/২৫ ইং (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে, মাগরিবের নামাজের পর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোয়া মাহফিল চলাকালীন বাবুল খন্দকার (৫০) নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা শহীদ মীর মুগ্ধের বাবার উপর হামলা চালায় এবং অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বাধ্য করে। এ সময় বাবুল খন্দকার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, “আমার অনুমতি ছাড়া এখানে কোনো আয়োজন করা যাবে না।”

 

ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, একজন শহীদের পিতাকে এভাবে অপমান করা শুধু ব্যক্তি নয়, বরং জাতির আত্মত্যাগকেই অসম্মান করা। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

 

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে নানান সমালোচনা, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়। ফেসবুক, এক্স (টুইটার) এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য মানুষ লিখেছেন—একজন শহীদের বাবাকে লাঞ্ছিত করা মানে গোটা জাতিকে অপমান করা।

 

একজন ফেসবুক ইউজার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন— “আওয়ামী সেটেলমেন্টের খেলা শুরু হয়ে গেছে আজ থেকেই। মাথায় রাখবেন। জুলাই কচুকাটা হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই।”

 

নেটিজেনরা আরও বলছেন, শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান দেখানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। অথচ এ ধরনের ঘটনায় জাতির আত্মত্যাগকে অসম্মান করা হয়েছে, যা মেনে নেওয়া যায় না।

 

এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ” অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারী বাবুল খন্দকারকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের নামতে তারা বাধ্য হবেন।।