ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

এই রায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে: বদিউল আলম মজুমদার


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৩০ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত করার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তাঁর মতে, আপিল বিভাগের এ রায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ আরও সুগম করবে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সর্বোচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি রায়ের অন্যতম আপিলকারীও ছিলেন।

আপিল বিভাগ ১৪ বছর আগে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া রায় সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে আজ নতুন রায় দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাসংক্রান্ত বিধানাবলি পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় হলো এবং ভবিষ্যতে প্রয়োগযোগ্য থাকবে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায়ের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা কার্যত সংকটে পড়ে এবং পরবর্তী তিনটি জাতীয় নির্বাচন বিতর্কে জড়ায়। আজকের রায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আস্থা ফিরিয়ে আনবে।

তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেখালেখি ও আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। তাঁর মতে, সেই রায়টি অসাংবিধানিক ছিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়েও তিনি আপত্তি উত্থাপন করেছিলেন।

আপিলকারী চার বিশিষ্ট ব্যক্তির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলেন, আদালত আজ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে—খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া রায় সম্পূর্ণ বাতিল। এর ফলে ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে ফিরেছে। তিনি রায়টিকে ‘এই সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেন।

তিনি আরও বলেন, খায়রুল হকের দেওয়া রায়টি ছিল নিম্নমানের এবং এর মাধ্যমেই দেশে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের পথ তৈরি হয়েছিল। তাঁর দাবি, রায়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে লেখা হয়েছিল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

এই রায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে: বদিউল আলম মজুমদার

আপডেট সময় : ০১:০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান পুনরুজ্জীবিত করার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তাঁর মতে, আপিল বিভাগের এ রায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ আরও সুগম করবে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সর্বোচ্চ আদালতের রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি রায়ের অন্যতম আপিলকারীও ছিলেন।

আপিল বিভাগ ১৪ বছর আগে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া রায় সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে আজ নতুন রায় দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাসংক্রান্ত বিধানাবলি পুনরুজ্জীবিত ও সক্রিয় হলো এবং ভবিষ্যতে প্রয়োগযোগ্য থাকবে।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায়ের মাধ্যমে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা কার্যত সংকটে পড়ে এবং পরবর্তী তিনটি জাতীয় নির্বাচন বিতর্কে জড়ায়। আজকের রায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আস্থা ফিরিয়ে আনবে।

তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেখালেখি ও আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। তাঁর মতে, সেই রায়টি অসাংবিধানিক ছিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়েও তিনি আপত্তি উত্থাপন করেছিলেন।

আপিলকারী চার বিশিষ্ট ব্যক্তির জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলেন, আদালত আজ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছে—খায়রুল হকের নেতৃত্বে দেওয়া রায় সম্পূর্ণ বাতিল। এর ফলে ত্রয়োদশ সংশোধনী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে ফিরেছে। তিনি রায়টিকে ‘এই সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেন।

তিনি আরও বলেন, খায়রুল হকের দেওয়া রায়টি ছিল নিম্নমানের এবং এর মাধ্যমেই দেশে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের পথ তৈরি হয়েছিল। তাঁর দাবি, রায়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে লেখা হয়েছিল।