ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সিন্ধু ইস্যুতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর’ বলেছে পাকিস্তান


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১০৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

সিন্ধু প্রদেশ ‘ভারতের কাছে ফিরে আসতে পারে’— ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। রোববার (২৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর (এফও) এ বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর, ইতিহাস-বিকৃতকারী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ বলে অভিহিত করে।

জিও নিউজ জানায়, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো রাজনাথ সিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, “আজ সিন্ধুর ভূমি ভারতের অংশ নয়; তবে সভ্যতার দিক থেকে সিন্ধু সবসময়ই ভারতের অংশ থাকবে। সীমানা পরিবর্তন হতে পারে— কে জানে, আগামী দিনে সিন্ধু আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।”
তিনি আরও দাবি করেন, তার প্রজন্মের সিন্ধুর হিন্দুরা এই প্রদেশের পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়াকে কখনোই পুরোপুরি মেনে নিতে পারেননি।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এ বক্তব্য ‘সম্প্রসারণবাদী হিন্দুত্ববাদী মানসিকতার’ প্রতিফলন, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এবং স্বীকৃত সীমানা ও রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানায়। এফও ভারতীয় নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান জানিয়ে বলে, ভারতের উচিত নিজ দেশের নাগরিকদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হওয়া।

এফওর বিবৃতিতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রান্তিকীকরণ, পরিচয়ভিত্তিক নিপীড়ন ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরি জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তির ডাক পুনর্ব্যক্ত করে পাকিস্তান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা কঠোর অবস্থানে থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

সিন্ধু ইস্যুতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর’ বলেছে পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৪:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

সিন্ধু প্রদেশ ‘ভারতের কাছে ফিরে আসতে পারে’— ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের এমন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। রোববার (২৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর (এফও) এ বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর, ইতিহাস-বিকৃতকারী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি’ বলে অভিহিত করে।

জিও নিউজ জানায়, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো রাজনাথ সিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, “আজ সিন্ধুর ভূমি ভারতের অংশ নয়; তবে সভ্যতার দিক থেকে সিন্ধু সবসময়ই ভারতের অংশ থাকবে। সীমানা পরিবর্তন হতে পারে— কে জানে, আগামী দিনে সিন্ধু আবারও ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।”
তিনি আরও দাবি করেন, তার প্রজন্মের সিন্ধুর হিন্দুরা এই প্রদেশের পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়াকে কখনোই পুরোপুরি মেনে নিতে পারেননি।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এ বক্তব্য ‘সম্প্রসারণবাদী হিন্দুত্ববাদী মানসিকতার’ প্রতিফলন, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এবং স্বীকৃত সীমানা ও রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানায়। এফও ভারতীয় নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহারের আহ্বান জানিয়ে বলে, ভারতের উচিত নিজ দেশের নাগরিকদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগী হওয়া।

এফওর বিবৃতিতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রান্তিকীকরণ, পরিচয়ভিত্তিক নিপীড়ন ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরি জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তির ডাক পুনর্ব্যক্ত করে পাকিস্তান।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পাকিস্তান ন্যায়বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা কঠোর অবস্থানে থাকবে।