ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে উপজেলা পর্যায়ে গুণী শিক্ষক নির্বাচিত মোহাম্মদ নূর উদ্দিন

চুম্বনের দৃশ্যে অস্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন, সুস্মিতা অভিনয় করেছিলেন একজন যৌনকর্মীর ভূমিকায়


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৬৭ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

বলিউডে এমন কিছু নাম আছে, যাদের উপস্থিতি শুধু পর্দাতেই নয়, ব্যক্তিত্বেও আলাদা ছাপ ফেলে। সুস্মিতা সেন সেই তালিকার এক অনন্য নাম। ১৯৯৪ সালে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন শক্তিশালী, স্বাধীনচেতা ও স্পষ্টভাষী অভিনেত্রী হিসেবে। তবে তাঁর ক্যারিয়ারে এমন কিছু মুহূর্ত এসেছে, যা সহজ ছিল না। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছিংগারি’ তার অন্যতম উদাহরণ।

কল্পনা লাজমি পরিচালিত এই ছবিতে সুস্মিতা অভিনয় করেছিলেন এক যৌনকর্মীর চরিত্রে, যার জীবন ও প্রেমের জটিলতা ছবিতে ফুটে ওঠে। মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন তাঁর বিপরীতে। শুটিং চলাকালীন একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের সময় সুস্মিতা মানসিকভাবে অস্বস্তি বোধ করেছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। যদিও তিনি নিজে কখনো প্রকাশ্যে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি, তবু এটি নিয়ে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।

ছবিটি ঘিরে আরেকটি বিতর্ক দেখা দেয় নতুন অভিনেতা অনুজ সাহনির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সিনেমাটির একটি চুম্বন দৃশ্য ৩৬ বার শুট করতে হয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে এই মন্তব্য ভাইরাল হয় এবং তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। শোনা যায়, এই কারণে সুস্মিতা ছবিটির প্রচারণায় অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, বিতর্কের কারণে প্রচারণার পরিকল্পনা প্রায় দুই মাস পিছিয়ে গিয়েছিল। পরে অনুজ সাহনি প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আর এ বিষয়ে মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেন।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলিউড ও ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতে পরিবর্তন এসেছে। এখন ‘ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর’ থাকা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের স্বস্তি ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই দশক আগে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল, এবং সেই সময়ে অনেক অভিনেত্রীর জন্য এই ধরনের দৃশ্য অভিনয় করা সহজ ছিল না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

চুম্বনের দৃশ্যে অস্বস্তি প্রকাশ করেছিলেন, সুস্মিতা অভিনয় করেছিলেন একজন যৌনকর্মীর ভূমিকায়

আপডেট সময় : ০৬:০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডে এমন কিছু নাম আছে, যাদের উপস্থিতি শুধু পর্দাতেই নয়, ব্যক্তিত্বেও আলাদা ছাপ ফেলে। সুস্মিতা সেন সেই তালিকার এক অনন্য নাম। ১৯৯৪ সালে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন শক্তিশালী, স্বাধীনচেতা ও স্পষ্টভাষী অভিনেত্রী হিসেবে। তবে তাঁর ক্যারিয়ারে এমন কিছু মুহূর্ত এসেছে, যা সহজ ছিল না। ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ছিংগারি’ তার অন্যতম উদাহরণ।

কল্পনা লাজমি পরিচালিত এই ছবিতে সুস্মিতা অভিনয় করেছিলেন এক যৌনকর্মীর চরিত্রে, যার জীবন ও প্রেমের জটিলতা ছবিতে ফুটে ওঠে। মিঠুন চক্রবর্তী ছিলেন তাঁর বিপরীতে। শুটিং চলাকালীন একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের সময় সুস্মিতা মানসিকভাবে অস্বস্তি বোধ করেছিলেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। যদিও তিনি নিজে কখনো প্রকাশ্যে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি, তবু এটি নিয়ে নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।

ছবিটি ঘিরে আরেকটি বিতর্ক দেখা দেয় নতুন অভিনেতা অনুজ সাহনির মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সিনেমাটির একটি চুম্বন দৃশ্য ৩৬ বার শুট করতে হয়েছিল। মুহূর্তের মধ্যে এই মন্তব্য ভাইরাল হয় এবং তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। শোনা যায়, এই কারণে সুস্মিতা ছবিটির প্রচারণায় অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, বিতর্কের কারণে প্রচারণার পরিকল্পনা প্রায় দুই মাস পিছিয়ে গিয়েছিল। পরে অনুজ সাহনি প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং আর এ বিষয়ে মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নেন।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলিউড ও ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতে পরিবর্তন এসেছে। এখন ‘ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর’ থাকা, অভিনেতা-অভিনেত্রীদের স্বস্তি ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই দশক আগে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল, এবং সেই সময়ে অনেক অভিনেত্রীর জন্য এই ধরনের দৃশ্য অভিনয় করা সহজ ছিল না।