ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির প্রার্থী অভিযোগ, তাকে হারাতে জেলা বিএনপি করেছে ১০০ কোটি টাকার বাজেট


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী দাবি করেছেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে অর্থ ও ক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ওনারা ব্যাংকার দিয়ে রাজনীতি করাবে, কন্ট্রাক্টর দিয়ে নির্বাচন করাবে। গণ অধিকারের ভিপি নূরকে দিয়ে শুধু নির্বাচন নয়, টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল, কিন্তু নূর রাজি হয়নি। এরপর তারা জাতীয় পার্টির রুহুল আমিন হাওলাদারকে ধরেছে। আমার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার বাজেট তৈরি করা হয়েছে। তবে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে তো অনেক মামলা, মার্ডার কেসও আছে—এমন অবস্থায় তার ফলাফল শূন্য।”

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বদরপুর শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে নির্বাচনী সভায় এই মন্তব্য করেন আলতাফ হোসেন। তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার আগে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ও সাবেক মেয়র মোস্তাক আহম্মেদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নির্বাচনে কার্যক্রমের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে।

দলের নেতারা আলতাফ হোসেনের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, “এ ধরনের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই এবং প্রমাণও নেই।” সভাপতি স্নেহাংশু সরকার বলেন, আলতাফ হোসেন রুহুল আমিনকে উল্লেখ করে জেলা বিএনপিকে ছোট করার চেষ্টা করছেন, অথচ তিনি নিজেই তার আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত খাচ্ছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আলতাফ হোসেন। এরপর জেলা বিএনপির নেতা স্নেহাংশু সরকার ও সাবেক মেয়র মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। মনোনয়ন প্রাপ্তির পর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও নির্বাচনী কার্যক্রমে জেলা বিএনপির সহমত না থাকার অভিযোগে পুরোনো দ্বন্দ্ব পুনরায় প্রকাশ পেয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিএনপির প্রার্থী অভিযোগ, তাকে হারাতে জেলা বিএনপি করেছে ১০০ কোটি টাকার বাজেট

আপডেট সময় : ০৪:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী দাবি করেছেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে অর্থ ও ক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “ওনারা ব্যাংকার দিয়ে রাজনীতি করাবে, কন্ট্রাক্টর দিয়ে নির্বাচন করাবে। গণ অধিকারের ভিপি নূরকে দিয়ে শুধু নির্বাচন নয়, টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল, কিন্তু নূর রাজি হয়নি। এরপর তারা জাতীয় পার্টির রুহুল আমিন হাওলাদারকে ধরেছে। আমার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার বাজেট তৈরি করা হয়েছে। তবে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে তো অনেক মামলা, মার্ডার কেসও আছে—এমন অবস্থায় তার ফলাফল শূন্য।”

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার বদরপুর শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে নির্বাচনী সভায় এই মন্তব্য করেন আলতাফ হোসেন। তিনি আরও বলেন, মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার আগে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ও সাবেক মেয়র মোস্তাক আহম্মেদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নির্বাচনে কার্যক্রমের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে।

দলের নেতারা আলতাফ হোসেনের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, “এ ধরনের অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই এবং প্রমাণও নেই।” সভাপতি স্নেহাংশু সরকার বলেন, আলতাফ হোসেন রুহুল আমিনকে উল্লেখ করে জেলা বিএনপিকে ছোট করার চেষ্টা করছেন, অথচ তিনি নিজেই তার আত্মীয়ের বাসায় দাওয়াত খাচ্ছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে পটুয়াখালী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আলতাফ হোসেন। এরপর জেলা বিএনপির নেতা স্নেহাংশু সরকার ও সাবেক মেয়র মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব শুরু হয়। মনোনয়ন প্রাপ্তির পর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও নির্বাচনী কার্যক্রমে জেলা বিএনপির সহমত না থাকার অভিযোগে পুরোনো দ্বন্দ্ব পুনরায় প্রকাশ পেয়েছে।