ঢাকা ০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কল্পিত ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন সাদিক কায়েম: অভিযোগ ছাত্রদলের


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন—এমন অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাদিক কায়েম কল্পনাপ্রসূত অভিযোগ তুলে সাইবার ক্রাইমের মামলা দিয়েছেন, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ। ছাত্রদলের দাবি, দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার কারণে সাদিক কায়েম ‘বাকস্বাধীনতা হরণের আওয়ামী-বাকশালি কৌশল’ অনুসরণ করছেন। সন্ত্রাস থেকে শুরু করে মিম বা ট্রল পেজ—কেউই তার মামলার হাত থেকে রেহাই পায়নি। ছাত্রদলের মতে, এসব মামলা ছাত্রশিবিরের অসহিষ্ণুতার পরিচায়ক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পূর্ববর্তী আমলের ফ্যাসিবাদী সাইবার আইন বাতিল করে মতপ্রকাশের পথ উন্মুক্ত করেছে। এখনকার আইনে মানহানির মামলা করার সুযোগ নেই। এর পরও সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার করে সাদিক কায়েম শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল। তাদের দাবি, যেসব বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, তা সাইবার সুরক্ষা আইন বা অন্য কোনো আইনে ফৌজদারি অপরাধ নয়; বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যেই এসব করা হয়েছে। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৮ ধারায় মিথ্যা মামলা করলে অভিযোগকারীকেই সংশ্লিষ্ট দণ্ডভোগের বিধান রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সাদিক কায়েম কিছুদিন আগে এক বিএনপি নেতাকে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। তার অনুসারী অনলাইন গ্রুপ নারীদের হেনস্তা ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা চালাচ্ছে।

ডাকসুর ভিপি পদে থাকা কোনো ছাত্রনেতার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করা ন্যাক্কারজনক ও নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করে ছাত্রদল জানায়, সাদিক কায়েম তার পদকে কলঙ্কিত করেছেন এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা মেটাতে ‘ফ্রিডম অব অনলাইন এক্সপ্রেশন’-এর অধিকার অগ্রাহ্য করেছেন।

এ পরিস্থিতিতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সাদিক কায়েমকে আইনি প্রক্রিয়ায় করা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

কল্পিত ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন সাদিক কায়েম: অভিযোগ ছাত্রদলের

আপডেট সময় : ১২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

ইসলামি ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা ও ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম কয়েকটি ফেসবুক আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন—এমন অভিযোগ করেছে ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাদিক কায়েম কল্পনাপ্রসূত অভিযোগ তুলে সাইবার ক্রাইমের মামলা দিয়েছেন, যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ। ছাত্রদলের দাবি, দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার কারণে সাদিক কায়েম ‘বাকস্বাধীনতা হরণের আওয়ামী-বাকশালি কৌশল’ অনুসরণ করছেন। সন্ত্রাস থেকে শুরু করে মিম বা ট্রল পেজ—কেউই তার মামলার হাত থেকে রেহাই পায়নি। ছাত্রদলের মতে, এসব মামলা ছাত্রশিবিরের অসহিষ্ণুতার পরিচায়ক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পূর্ববর্তী আমলের ফ্যাসিবাদী সাইবার আইন বাতিল করে মতপ্রকাশের পথ উন্মুক্ত করেছে। এখনকার আইনে মানহানির মামলা করার সুযোগ নেই। এর পরও সাইবার সুরক্ষা আইনের অপব্যবহার করে সাদিক কায়েম শেখ হাসিনার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন বলে অভিযোগ করে ছাত্রদল। তাদের দাবি, যেসব বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, তা সাইবার সুরক্ষা আইন বা অন্য কোনো আইনে ফৌজদারি অপরাধ নয়; বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্যেই এসব করা হয়েছে। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৮ ধারায় মিথ্যা মামলা করলে অভিযোগকারীকেই সংশ্লিষ্ট দণ্ডভোগের বিধান রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সাদিক কায়েম কিছুদিন আগে এক বিএনপি নেতাকে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। তার অনুসারী অনলাইন গ্রুপ নারীদের হেনস্তা ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে সাইবার হামলা চালাচ্ছে।

ডাকসুর ভিপি পদে থাকা কোনো ছাত্রনেতার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করা ন্যাক্কারজনক ও নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করে ছাত্রদল জানায়, সাদিক কায়েম তার পদকে কলঙ্কিত করেছেন এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা মেটাতে ‘ফ্রিডম অব অনলাইন এক্সপ্রেশন’-এর অধিকার অগ্রাহ্য করেছেন।

এ পরিস্থিতিতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সাদিক কায়েমকে আইনি প্রক্রিয়ায় করা মামলা প্রত্যাহার ও শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।