ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তাণ্ডব
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২১৩৪ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ওয়াশিংটন ও কিয়েভের শান্তি আলোচনার মধ্যেই শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাতভর ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
রেল স্টেশনের ওপর হামলার ফলে কিয়েভের নিকট ফাস্তিভ শহরের স্টেশনের প্রধান ভবন, ডিপো ও রেলকোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। চেরনিহিভ, জাপোরিঝিয়া, লভিভ ও দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন স্থাপনায়ও হামলা হয়েছে। ওডেসা বন্দরের একটি অংশও অচল হয়ে গেছে, জরুরি কার্যক্রম ব্যাকআপ জেনারেটর দিয়ে চালানো হচ্ছে।
ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া মোট ৬৫৩টি ড্রোন ও ৫১টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল, যার মধ্যে ৫৮৫টি ড্রোন ও ৩০টি মিসাইল ভূপাতিত করা হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, এই হামলা ‘সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে অর্থহীন’ এবং রাশিয়া এটা জানতেও অজ্ঞ হতে পারে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা বলেন, রাশিয়া বারবার শান্তি প্রচেষ্টা উপেক্ষা করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের হামলায় কিনঝাল হাইপারসনিক মিসাইলসহ দূরপাল্লার উচ্চ-নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, লক্ষ্য ছিল সামরিক শিল্প স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বন্দর।
চলতি সপ্তাহে ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা শুরু হয়। শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) আলোচনা তৃতীয় দিনেও চলার সম্ভাবনা রয়েছে। মায়ামিতে আয়োজিত বৈঠকে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে রুস্তেম ও সেনাপ্রধান জেনারেল আন্দ্রি হানতভ উপস্থিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ।



























