ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

জনগণ দায়িত্ব অর্পণ করলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করবে: তারেক রহমান।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৩ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণ যদি সুযোগ দেয়, বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, দুর্নীতি কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনকে অচল করে দিচ্ছে তা বোঝার জন্য দূরে যাওয়ার দরকার নেই। চাকরি খুঁজে ঘুরে বেড়ানো একজন গ্র্যাজুয়েটের অসুবিধা, সরকারি সেবা পেতে হিমশিম খাওয়া কৃষক, হাসপাতালের ভোগান্তিতে থাকা পরিবার বা ব্যবসা রক্ষায় ঘুষ দিতে বাধ্য উদ্যোক্তাদের কষ্টই যথেষ্ট উদাহরণ।

তারেক রহমান বলেন, খাবারের দাম কেন বাড়ে, স্কুলে ভালো শিক্ষা কেন পাওয়া যায় না, রাস্তায় নিরাপত্তা কেন নেই—সবই দুর্নীতির কারণে। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নতুন নয়; এটি বহু যুগের আলোচনার বিষয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও পরিষ্কার সেবা ফিরিয়ে এনেছিলেন, এরপর প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতার দিকে এগিয়েছিল। ২০০৪ সালে গঠিত স্বাধীন দুদক কমিশন সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

তারেক রহমান বিএনপির অতীত অর্জনের মধ্যে তুলে ধরেন:

  • শক্তিশালী অর্থ ব্যবস্থাপনা ও অডিট ব্যবস্থা।
  • স্বচ্ছ ক্রয় নীতি ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থা।
  • উন্মুক্ত বাজার, যা প্রতিযোগিতা ও দুর্নীতি কমাতে সহায়তা করে।
  • ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, যা প্রশাসনকে কম জটিল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা হিসেবে তিনি বলেন:

  • প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
  • সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও রিয়েল-টাইম অডিট চালু করা।
  • বিচার ও আইনশৃঙ্খলা সংস্কার।
  • ই-গভর্ন্যান্সে ঘুষের সুযোগ কমানো।
  • হুইসলব্লোয়ার সুরক্ষা।
  • নৈতিক শিক্ষা চালু করা।
  • শক্তিশালী আর্থিক নজরদারি নিশ্চিত করা।

তিনি যোগ করেন, “অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হলেও, সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন থাকলে পরিবর্তন সম্ভব। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়, বিএনপি আবারও নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।”

পোস্টে তিনি ২০০১–২০০৬ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দুর্নীতির সূচকের একটি চিত্রও তুলে ধরেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

জনগণ দায়িত্ব অর্পণ করলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করবে: তারেক রহমান।

আপডেট সময় : ০১:১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণ যদি সুযোগ দেয়, বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, দুর্নীতি কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনকে অচল করে দিচ্ছে তা বোঝার জন্য দূরে যাওয়ার দরকার নেই। চাকরি খুঁজে ঘুরে বেড়ানো একজন গ্র্যাজুয়েটের অসুবিধা, সরকারি সেবা পেতে হিমশিম খাওয়া কৃষক, হাসপাতালের ভোগান্তিতে থাকা পরিবার বা ব্যবসা রক্ষায় ঘুষ দিতে বাধ্য উদ্যোক্তাদের কষ্টই যথেষ্ট উদাহরণ।

তারেক রহমান বলেন, খাবারের দাম কেন বাড়ে, স্কুলে ভালো শিক্ষা কেন পাওয়া যায় না, রাস্তায় নিরাপত্তা কেন নেই—সবই দুর্নীতির কারণে। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই নতুন নয়; এটি বহু যুগের আলোচনার বিষয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও পরিষ্কার সেবা ফিরিয়ে এনেছিলেন, এরপর প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আধুনিকায়ন ও স্বচ্ছতার দিকে এগিয়েছিল। ২০০৪ সালে গঠিত স্বাধীন দুদক কমিশন সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

তারেক রহমান বিএনপির অতীত অর্জনের মধ্যে তুলে ধরেন:

  • শক্তিশালী অর্থ ব্যবস্থাপনা ও অডিট ব্যবস্থা।
  • স্বচ্ছ ক্রয় নীতি ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থা।
  • উন্মুক্ত বাজার, যা প্রতিযোগিতা ও দুর্নীতি কমাতে সহায়তা করে।
  • ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, যা প্রশাসনকে কম জটিল ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা হিসেবে তিনি বলেন:

  • প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
  • সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও রিয়েল-টাইম অডিট চালু করা।
  • বিচার ও আইনশৃঙ্খলা সংস্কার।
  • ই-গভর্ন্যান্সে ঘুষের সুযোগ কমানো।
  • হুইসলব্লোয়ার সুরক্ষা।
  • নৈতিক শিক্ষা চালু করা।
  • শক্তিশালী আর্থিক নজরদারি নিশ্চিত করা।

তিনি যোগ করেন, “অব্যবস্থাপনার পর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন হলেও, সৎ নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও জনগণের সমর্থন থাকলে পরিবর্তন সম্ভব। জনগণ যদি দায়িত্ব দেয়, বিএনপি আবারও নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।”

পোস্টে তিনি ২০০১–২০০৬ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দুর্নীতির সূচকের একটি চিত্রও তুলে ধরেছেন।