ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জনের পাশাপাশি প্রকৌশলীদের পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করা উচিত: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি অর্জনের পাশাপাশি প্রকৌশল শিক্ষাকে সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি এই আহ্বান জানান “Quality Assurance in Engineering Education through Accreditation” শীর্ষক ৪র্থ আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে, যা রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন তা পরিবেশগত ন্যায়বিচার, সামাজিক সাম্য ও জলবায়ু সহনশীলতাকে প্রতিফলিত করবে। বিশেষ করে নদীভাঙন, জলজট এবং ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রকৌশল উদ্যোগগুলোতে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন, দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাব ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলীরা এমন সিদ্ধান্ত নেন যা দেশের উন্নয়নে প্রভাব ফেলে। তাই স্বীকৃতি প্রক্রিয়ায় নৈতিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ-সচেতনতা এবং সমস্যার সমাধানের সৃজনশীল দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ক্রমবর্ধমান প্রকৌশল স্নাতক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মানের সাথে পাঠ্যক্রম সামঞ্জস্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিমাণ বেশি, কিন্তু ব্যবহারিক দক্ষতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই ব্যবধান দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটনের সেং হুয়াং এনডাউড প্রফেসর ড. নুর ইয়াজদানি, ডাবলিন অ্যাকর্ডের চেয়ার প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার মেগাত জোহরি মেগাত মোহদ নূর এবং ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সাব্বির মোস্তফা খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন বিএইটি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. তানভীর মঞ্জুর।

সিম্পোজিয়ামে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রকৌশল শিক্ষা আধুনিকায়ন ও স্বীকৃতি কাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং প্রকৌশলীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জনের পাশাপাশি প্রকৌশলীদের পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করা উচিত: সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি অর্জনের পাশাপাশি প্রকৌশল শিক্ষাকে সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি এই আহ্বান জানান “Quality Assurance in Engineering Education through Accreditation” শীর্ষক ৪র্থ আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে, যা রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হয়।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রকৌশল শিক্ষার মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন তা পরিবেশগত ন্যায়বিচার, সামাজিক সাম্য ও জলবায়ু সহনশীলতাকে প্রতিফলিত করবে। বিশেষ করে নদীভাঙন, জলজট এবং ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রকৌশল উদ্যোগগুলোতে স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন, দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাব ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলীরা এমন সিদ্ধান্ত নেন যা দেশের উন্নয়নে প্রভাব ফেলে। তাই স্বীকৃতি প্রক্রিয়ায় নৈতিক দায়বদ্ধতা, পরিবেশ-সচেতনতা এবং সমস্যার সমাধানের সৃজনশীল দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ক্রমবর্ধমান প্রকৌশল স্নাতক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মানের সাথে পাঠ্যক্রম সামঞ্জস্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিমাণ বেশি, কিন্তু ব্যবহারিক দক্ষতা ও শিল্পখাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এই ব্যবধান দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটনের সেং হুয়াং এনডাউড প্রফেসর ড. নুর ইয়াজদানি, ডাবলিন অ্যাকর্ডের চেয়ার প্রফেসর ইঞ্জিনিয়ার মেগাত জোহরি মেগাত মোহদ নূর এবং ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সাব্বির মোস্তফা খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন বিএইটি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. তানভীর মঞ্জুর।

সিম্পোজিয়ামে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রকৌশল শিক্ষা আধুনিকায়ন ও স্বীকৃতি কাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং প্রকৌশলীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।