থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছেছে।
- আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২০৮৯ বার পড়া হয়েছে
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে তৃতীয় দিনে নতুন সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ নিরাপদ স্থানে পালাতে বাধ্য হয়েছে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, থাইল্যান্ডের হামলা ছিল আত্মরক্ষামূলক এবং কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুর দিকে সীমাবদ্ধ।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সীমান্তে উত্তেজনা ফের বাড়ে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী কম্বোডিয়ার স্রা নগুতে একটি সংযোগস্থল ও ক্যাসিনো কমপ্লেক্সে ট্যাংক ও বিমান হামলা চালায়। কম্বোডিয়ার সেনারা এই হামলার জবাব দেয়।
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের উপদেষ্টা সুয়োস ইয়ারা বলেছেন, তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ বলেছেন, কম্বোডিয়াকে প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব নয়।
ঘরছাড়ার সংখ্যা দু’দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে। থাইল্যান্ডে প্রায় ৫১,১৪৭ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়ে স্থানান্তরিত হয়েছে, যেখানে চারটি সীমান্ত প্রদেশে ৩২৫টি শেল্টার তৈরি করা হয়েছে। কম্বোডিয়ায় প্রায় ৫৪,৫৫০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখতে আহবান জানিয়েছেন এবং গঠনমূলক ভূমিকা নিতে প্রস্তুতি প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও যুদ্ধবিরতির আহবান জানান।



























