ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছেছে।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৮৯ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে তৃতীয় দিনে নতুন সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ নিরাপদ স্থানে পালাতে বাধ্য হয়েছে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, থাইল্যান্ডের হামলা ছিল আত্মরক্ষামূলক এবং কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুর দিকে সীমাবদ্ধ।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সীমান্তে উত্তেজনা ফের বাড়ে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী কম্বোডিয়ার স্রা নগুতে একটি সংযোগস্থল ও ক্যাসিনো কমপ্লেক্সে ট্যাংক ও বিমান হামলা চালায়। কম্বোডিয়ার সেনারা এই হামলার জবাব দেয়।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের উপদেষ্টা সুয়োস ইয়ারা বলেছেন, তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ বলেছেন, কম্বোডিয়াকে প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব নয়।

ঘরছাড়ার সংখ্যা দু’দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে। থাইল্যান্ডে প্রায় ৫১,১৪৭ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়ে স্থানান্তরিত হয়েছে, যেখানে চারটি সীমান্ত প্রদেশে ৩২৫টি শেল্টার তৈরি করা হয়েছে। কম্বোডিয়ায় প্রায় ৫৪,৫৫০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখতে আহবান জানিয়েছেন এবং গঠনমূলক ভূমিকা নিতে প্রস্তুতি প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও যুদ্ধবিরতির আহবান জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে পৌঁছেছে।

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে তৃতীয় দিনে নতুন সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, এতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি থেকে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ নিরাপদ স্থানে পালাতে বাধ্য হয়েছে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, থাইল্যান্ডের হামলা ছিল আত্মরক্ষামূলক এবং কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুর দিকে সীমাবদ্ধ।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সীমান্তে উত্তেজনা ফের বাড়ে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী কম্বোডিয়ার স্রা নগুতে একটি সংযোগস্থল ও ক্যাসিনো কমপ্লেক্সে ট্যাংক ও বিমান হামলা চালায়। কম্বোডিয়ার সেনারা এই হামলার জবাব দেয়।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেতের উপদেষ্টা সুয়োস ইয়ারা বলেছেন, তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তবে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাফ বলেছেন, কম্বোডিয়াকে প্রথম পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা এই পরিস্থিতিতে সম্ভব নয়।

ঘরছাড়ার সংখ্যা দু’দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে। থাইল্যান্ডে প্রায় ৫১,১৪৭ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়ে স্থানান্তরিত হয়েছে, যেখানে চারটি সীমান্ত প্রদেশে ৩২৫টি শেল্টার তৈরি করা হয়েছে। কম্বোডিয়ায় প্রায় ৫৪,৫৫০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখতে আহবান জানিয়েছেন এবং গঠনমূলক ভূমিকা নিতে প্রস্তুতি প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও যুদ্ধবিরতির আহবান জানান।