ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

হাদির ওপর হত্যাচেষ্টাকারীদের পালাতে সহায়তাকারী কে এই ফিলিপ স্নাল?


নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৮৭ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা ফিলিপ স্নালকে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর। অভিযোগ আছে, তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে সহায়তা করেছেন। তবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়েছেন নাকি দেশে আত্মগোপনে রয়েছেন, তা নিশ্চিত হতে ফিলিপকে ধরতে হবে।

ফিলিপ হালুয়াঘাটের ভুটিয়াপাড়ায় বাবার বাড়িতে থাকতেন। তার শ্বশুরবাড়ি নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারি এলাকায়।

ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ফয়সাল ও আলমগীরের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে, তারা শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতেই হালুয়াঘাট সীমান্ত হয়ে ভারতে পাড়ি জমান। ময়মনসিংহ বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভুটিয়াপাড়া এলাকার ক্লেমেন রিছিলের ছেলে সঞ্জয় চিসিম (২৫) ও বিড়ইডাকুনী এলাকার চার্লস রিছিলের ছেলে সিবিরণ দিও (৩৫)কে ফিলিপের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকার অভিযোগে আটক করেছে বিজিবি।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর ফয়সাল ও আলমগীর মিরপুর থেকে প্রাইভেটকারে গাজীপুর হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছান। পরে ফিলিপ স্নালের মোটরসাইকেলে করে তারা ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সিসিটিভি ফুটেজে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ফিলিপকে ধরতে শনিবার থেকে বিজিবি ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। এখনও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার দুর্গম পথ ও সুরঙ্গ ব্যবহার করে দুজনকে ভারতে পাঠানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিপের ছোট বোন সালচি স্নাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার ভাই ওই দিন বাড়িতে এসেছিলেন, বিকেলেই চলে যান। তাকে পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই সঞ্জয় চিসিম ঘরে ঘুমাচ্ছিল। যদি সে অপরাধে জড়িত হত, তাহলে কি বাড়িতে থাকত?’

বিজিবির সেক্টর কমান্ডার বলেন, ‘ফিলিপকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কীভাবে অপরাধীরা সীমান্ত পার হয়েছে, কারা জড়িত ছিল, কত টাকা লেনদেন হয়েছে, সব জানা যাবে। মানবপাচারে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে এবং সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

হাদির ওপর হত্যাচেষ্টাকারীদের পালাতে সহায়তাকারী কে এই ফিলিপ স্নাল?

আপডেট সময় : ০২:২৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা ফিলিপ স্নালকে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর। অভিযোগ আছে, তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল ও আলমগীরকে সহায়তা করেছেন। তবে তারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়েছেন নাকি দেশে আত্মগোপনে রয়েছেন, তা নিশ্চিত হতে ফিলিপকে ধরতে হবে।

ফিলিপ হালুয়াঘাটের ভুটিয়াপাড়ায় বাবার বাড়িতে থাকতেন। তার শ্বশুরবাড়ি নালিতাবাড়ী উপজেলার বারমারি এলাকায়।

ঘটনার পাঁচ দিন পার হলেও বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ফয়সাল ও আলমগীরের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে, তারা শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতেই হালুয়াঘাট সীমান্ত হয়ে ভারতে পাড়ি জমান। ময়মনসিংহ বিজিবির সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভুটিয়াপাড়া এলাকার ক্লেমেন রিছিলের ছেলে সঞ্জয় চিসিম (২৫) ও বিড়ইডাকুনী এলাকার চার্লস রিছিলের ছেলে সিবিরণ দিও (৩৫)কে ফিলিপের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকার অভিযোগে আটক করেছে বিজিবি।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর ফয়সাল ও আলমগীর মিরপুর থেকে প্রাইভেটকারে গাজীপুর হয়ে ময়মনসিংহে পৌঁছান। পরে ফিলিপ স্নালের মোটরসাইকেলে করে তারা ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সিসিটিভি ফুটেজে তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ফিলিপকে ধরতে শনিবার থেকে বিজিবি ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। এখনও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার দুর্গম পথ ও সুরঙ্গ ব্যবহার করে দুজনকে ভারতে পাঠানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিপের ছোট বোন সালচি স্নাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার ভাই ওই দিন বাড়িতে এসেছিলেন, বিকেলেই চলে যান। তাকে পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার চাচাতো ভাই সঞ্জয় চিসিম ঘরে ঘুমাচ্ছিল। যদি সে অপরাধে জড়িত হত, তাহলে কি বাড়িতে থাকত?’

বিজিবির সেক্টর কমান্ডার বলেন, ‘ফিলিপকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কীভাবে অপরাধীরা সীমান্ত পার হয়েছে, কারা জড়িত ছিল, কত টাকা লেনদেন হয়েছে, সব জানা যাবে। মানবপাচারে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে এবং সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।’