“নতুন রূপে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে জয়িতা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জয়িতার পোশাক, হস্ত ও কারুশিল্প বিশ্বদরবারে পৌঁছে যাবে,” — উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।
- আপডেট সময় : ০৫:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২১৪৮ বার পড়া হয়েছে
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, বিজয়ের মাস ডিসেম্বর আমাদের জন্য আনন্দের হলেও এই স্বাধীনতা এসেছে সীমাহীন ত্যাগ ও কষ্টের বিনিময়ে। তিনি বলেন, “১৬ ডিসেম্বর আমাদের রক্তের সঙ্গে মিশে আছে—এই দিনটি আমাদের স্মৃতি থেকে কখনোই মুছে যাওয়ার নয়।”
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজয় দিবস ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে, যা জাতির ঐক্যের প্রতিফলন।
বুধবার ঢাকার ধানমন্ডিতে জয়িতা ফাউন্ডেশন ভবনে আয়োজিত ‘জয়িতা বিজয় মেলা ২০২৫’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জয়িতা ফাউন্ডেশন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, জয়িতা নতুন রূপে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে জয়িতার পোশাক, হস্ত ও কারুশিল্প বিশ্ববাজারে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা বিকাশে জয়িতা ফাউন্ডেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। নারীরা উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে এলে পরিবার থেকে সমাজ—সবখানেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

তিনি আরও বলেন, জয়িতা বিজয় মেলা নারীদের সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়ার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। এ সময় তিনি নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, বাজারসংযোগ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সরকার নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরে উপদেষ্টা মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে জয়িতার পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে উদ্যোক্তারা সারাবছর দেশীয় পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। তিনি জানান, দেশের মানুষকে দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করাই জয়িতা মেলার মূল উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জয়িতা বিজয় মেলায় জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাহিদ মঞ্জুরা আফরোজ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত নারী উদ্যোক্তারা তাদের হস্তশিল্প, খাদ্যপণ্য, পোশাক, নকশা ও উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শন করেন। দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে মেলাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। মেলাটি ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


























