মনোনয়নপত্র বাতিল হলো তাসনিম জারার
- আপডেট সময় : ০১:১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২১০৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক নেত্রী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার মনোনয়ন যাচাই–বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা এ সিদ্ধান্ত দেন।
ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. আজমল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকা–৯ আসনে মোট ভোটারের অনুপাতে প্রয়োজনীয় ৪ হাজার ৩০০ জন ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়া হয়েছিল এবং স্বাক্ষরের সংখ্যাও যথেষ্ট ছিল। তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবক ও সমর্থকদের মধ্যে দেওয়া ১০ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র আটজন ওই আসনের ভোটার। বাকি দুজন ভোটার না হওয়ায় নির্বাচন বিধি অনুযায়ী মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তবে তাসনিম জারার আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।
তাসনিম জারা এর আগে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট গঠনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন। পরে ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
হলফনামায় তাসনিম জারা নিজেকে চিকিৎসক, শিক্ষক ও উদ্যোক্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ৩১ বছর বয়সী এই প্রার্থী আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে চাকরির কথা জানান। তিনি জানান, দেশে চাকরি করে বছরে তাঁর আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে দেশে তাঁর বার্ষিক আয় ২৬৪ টাকা এবং বিদেশ থেকে এ খাতে আয় ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলফনামা অনুযায়ী, তাসনিম জারার অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য ২২ লাখ ৩০ হাজার ১৯০ টাকা। তাঁর কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে—নগদ ১৬ লাখ টাকা, ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড (মূল্য ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১০ হাজার ১৯০ টাকা এবং সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু, যার মূল্য আড়াই লাখ টাকা।
২০২৫–২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্নে তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৭ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ টাকা। ওই রিটার্নে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ টাকা এবং তিনি আয়কর দিয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
হলফনামায় তাসনিম জারা তাঁর স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহকে নির্ভরশীল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। খালেদ সাইফুল্লাহ একজন উদ্যোক্তা। তাঁর দেশে কোনো আয় নেই বলে উল্লেখ করা হলেও বিদেশে বছরে তাঁর আয় ৩৫ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড। এ ছাড়া শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৪ হাজার ৮০০ ব্রিটিশ পাউন্ড।




























