ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রভাব অন্য দেশগুলোকেও পড়তে পারে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘ঠিকভাবে কাজ না করলে তাকে নিকোলাস মাদুরোর চেয়ে বেশি মূল্য দিতে হতে পারে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার মতো অন্য যেকোনো দেশে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রদ্রিগেজ যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তবে ভেনেজুয়েলায় দ্বিতীয় দফা হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি পুনর্বার জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল ও অন্যান্য সম্পদে পূর্ণ প্রবেশাধিকার চায়।

মাদুরো ও তার স্ত্রীকে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে আটক করার পর ট্রাম্প রদ্রিগেজকে প্রশংসা করলেও, পরে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে বলেন। তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠন বা শাসন পরিবর্তন—যাই হোক, বর্তমান অবস্থার চেয়ে এটি ভালো’।

রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক’ সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথ উন্নয়নমূলক সহযোগিতার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি বিমানবন্দরে নেয়। কারাকাসের সামরিক ঘাঁটিতে তাদের বাসভবন থেকে এই অভিযান চালানো হয়, যা মাদুরো সরকার ‘সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দম্পতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের চাপ ও পরিকল্পনার পরিণতি। ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শাসন পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত অভিযানের আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

মার্কিন হস্তক্ষেপের প্রভাব অন্য দেশগুলোকেও পড়তে পারে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘ঠিকভাবে কাজ না করলে তাকে নিকোলাস মাদুরোর চেয়ে বেশি মূল্য দিতে হতে পারে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার মতো অন্য যেকোনো দেশে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রদ্রিগেজ যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা না করে, তবে ভেনেজুয়েলায় দ্বিতীয় দফা হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তিনি পুনর্বার জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল ও অন্যান্য সম্পদে পূর্ণ প্রবেশাধিকার চায়।

মাদুরো ও তার স্ত্রীকে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে আটক করার পর ট্রাম্প রদ্রিগেজকে প্রশংসা করলেও, পরে দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিতে বলেন। তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠন বা শাসন পরিবর্তন—যাই হোক, বর্তমান অবস্থার চেয়ে এটি ভালো’।

রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক’ সম্পর্ক গড়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথ উন্নয়নমূলক সহযোগিতার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’

নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি বিমানবন্দরে নেয়। কারাকাসের সামরিক ঘাঁটিতে তাদের বাসভবন থেকে এই অভিযান চালানো হয়, যা মাদুরো সরকার ‘সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দম্পতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের চাপ ও পরিকল্পনার পরিণতি। ২০০৩ সালের ইরাক আগ্রাসনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শাসন পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত অভিযানের আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।