বাবার নির্দেশে চাচা কর্তৃক শিশু আয়েশা হত্যাকাণ্ড
- আপডেট সময় : ০১:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২০৮৬ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে বস্তাবন্দি এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের বাবা ও চাচাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি) নিহত শিশুর বাবা বাবুল প্যাদাকে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম।
এর আগে সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের চাচাতো চাচা রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে নিহত শিশুর বাবা বাবুল প্যাদাকেও আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রুবেল সোমবার আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, নিজ বসতঘর থেকে শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি প্রথমে রহস্যজনক মনে হওয়ায় তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, নিহত শিশু আয়েশা মনিরের মা প্রবাসে অবস্থান করছেন। পারিবারিক ও সামাজিক নানা জটিলতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ও চাচা পরস্পর যোগসাজশে জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে।
রাঙ্গাবালী থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তার হওয়া রুবেলের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিহতের বাবা বাবুলকে আটক করা হয়েছে। আদালতে রুবেল হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত পাওয়া গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “হত্যার আগে অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে সুরতহাল রিপোর্ট ও তদন্তের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, দু’দিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের মাঝনেতা গ্রামের নিজ বসতঘরের রান্নাঘর থেকে স্কুলছাত্রী আয়েশা মনিরের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।






















