২০২৬ সালেই বিশ্বজুড়ে স্বৈরশাসকদের পতন ঘটবে বলে মন্তব্য ইইউর
- আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে
স্বৈরশাসকদের সময় শেষের পথে এবং ২০২৬ সালেই তাদের পতন ঘটবে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্তা মেতসোলা। একই সঙ্গে ইরানে বিক্ষোভ দমনে সরকারের কঠোর অভিযানের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ইউরো নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেতসোলা বলেন, “২০২৬ সালই হবে সেই বছর, যখন স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটবে।” তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব এখন ‘শেষ পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।
রবার্তা মেতসোলা ইইউকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এর মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
এদিকে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—এমন খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ঘাঁটি ছাড়ার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এক কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, এটি পুরোপুরি প্রত্যাহার নয়, বরং একটি সামরিক ‘পুনর্বিন্যাস’। তবে এর পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ তিনি জানাতে পারেননি।
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি আল-উদেইদে প্রায় ১০ হাজার সেনা অবস্থান করছেন বলে জানা যায়। এর আগে, গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল ইরান।
ইরানের চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো এবারও তাদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।



























