ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির কর্মীরা কৌশলের নামে কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০২:২২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

এত গুম, খুন ও নির্যাতনের পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা কৌশলের নামে কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বলে দাবি করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “আমাকে বহু বছর বাধ্য হয়ে দেশ, স্বজন ও নেতাকর্মীদের থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। দূরে থেকেও যতটুকু সম্ভব নেতাকর্মী এবং সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা স্বজনহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন ও প্রতিবাদ সংগঠিত করেছি। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রতিটি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।”

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হাজারো নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপির দেড় লক্ষাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, যার বোঝা প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীকে বহন করতে হয়েছে। দিনের পর দিন অনেককে ঘরবাড়ি ও স্বজন ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে। এসব মামলা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

গুম-খুনের বিভীষিকাময় দিন ও রাতের অবসান ঘটেছে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “দেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। আমরা একটি কঠিন সময় অতিক্রম করেছি। এখনও অনেক সন্তান অপেক্ষায় আছে—হঠাৎ করে বাবা দরজায় কড়া নাড়বে। অনেক মা আজও আশায় আছেন—তার সন্তান একদিন ফিরে আসবে।”

তিনি বলেন, “সরকারবিরোধী আন্দোলন কখনো উত্তাল হয়েছে, কখনো স্থিমিত হয়েছে। কিন্তু কৌশলের নামে বিএনপি কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দল সবসময় আপসহীন অবস্থানে ছিল। গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর প্রতি আগামীর গণতান্ত্রিক সরকারের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্র কখনো আপনাদের ত্যাগ ভুলে যেতে পারে না।”

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু বিতর্কিত ভূমিকার পরও বিএনপি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, “গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য বিএনপির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। সব শহীদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের ত্যাগ স্মরণে রাখতে পারে।”

গণতন্ত্রের পথে ফেরাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা কখনোই সফল হবে না।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

বিএনপির কর্মীরা কৌশলের নামে কোনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০২:২২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

এত গুম, খুন ও নির্যাতনের পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা কৌশলের নামে কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বলে দাবি করেছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “আমাকে বহু বছর বাধ্য হয়ে দেশ, স্বজন ও নেতাকর্মীদের থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। দূরে থেকেও যতটুকু সম্ভব নেতাকর্মী এবং সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা স্বজনহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন ও প্রতিবাদ সংগঠিত করেছি। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও আমরা প্রতিটি মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।”

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “হাজারো নেতাকর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপির দেড় লক্ষাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়, যার বোঝা প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীকে বহন করতে হয়েছে। দিনের পর দিন অনেককে ঘরবাড়ি ও স্বজন ছেড়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে। এসব মামলা ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

গুম-খুনের বিভীষিকাময় দিন ও রাতের অবসান ঘটেছে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, “দেশের মানুষ এখন গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। আমরা একটি কঠিন সময় অতিক্রম করেছি। এখনও অনেক সন্তান অপেক্ষায় আছে—হঠাৎ করে বাবা দরজায় কড়া নাড়বে। অনেক মা আজও আশায় আছেন—তার সন্তান একদিন ফিরে আসবে।”

তিনি বলেন, “সরকারবিরোধী আন্দোলন কখনো উত্তাল হয়েছে, কখনো স্থিমিত হয়েছে। কিন্তু কৌশলের নামে বিএনপি কখনো গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দল সবসময় আপসহীন অবস্থানে ছিল। গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর প্রতি আগামীর গণতান্ত্রিক সরকারের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। রাষ্ট্র কখনো আপনাদের ত্যাগ ভুলে যেতে পারে না।”

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু বিতর্কিত ভূমিকার পরও বিএনপি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে দাবি করে তারেক রহমান বলেন, “গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য বিএনপির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। সব শহীদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের ত্যাগ স্মরণে রাখতে পারে।”

গণতন্ত্রের পথে ফেরাকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা কখনোই সফল হবে না।”