ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, পিছু হটার কোনো সম্ভাবনা নেই


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮২ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরছেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর যেতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘সঠিক সময় এলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এরই মধ্যে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব ধীরে ধীরে নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বাইরে সরে যাচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মন্তব্য করেন, পুরোনো বৈশ্বিক ব্যবস্থা আর ফিরে আসবে না।

বুধবার দাভোসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। তিনি জানিয়েছেন, সেখানে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে তার দাবি, শেষ পর্যন্ত এই ইস্যুর নিষ্পত্তি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইতিবাচকভাবেই হবে।

ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখলেও সংকটকালে ন্যাটো আদৌ যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেবে কিনা—তা নিয়ে তিনি সন্দিহান।

এদিকে গ্রিনল্যান্ডের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী নাজা নাথানিয়েলসেন ট্রাম্পের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ আমেরিকান হতে চায় না। তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প, পিছু হটার কোনো সম্ভাবনা নেই

আপডেট সময় : ০১:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরছেন না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কতদূর যেতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘সঠিক সময় এলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ তার এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এরই মধ্যে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব ধীরে ধীরে নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বাইরে সরে যাচ্ছে। একই অনুষ্ঠানে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মন্তব্য করেন, পুরোনো বৈশ্বিক ব্যবস্থা আর ফিরে আসবে না।

বুধবার দাভোসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। তিনি জানিয়েছেন, সেখানে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে তার দাবি, শেষ পর্যন্ত এই ইস্যুর নিষ্পত্তি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইতিবাচকভাবেই হবে।

ন্যাটোর ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখলেও সংকটকালে ন্যাটো আদৌ যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেবে কিনা—তা নিয়ে তিনি সন্দিহান।

এদিকে গ্রিনল্যান্ডের শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদবিষয়ক মন্ত্রী নাজা নাথানিয়েলসেন ট্রাম্পের বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, গ্রিনল্যান্ডের জনগণ আমেরিকান হতে চায় না। তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করতে চায়।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে।