ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো সহিংসতার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী থাকবে—অন্তর্বর্তী সরকার


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১০১ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় আওয়ামী লীগের ওপর বর্তাবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর সুস্পষ্ট উসকানি রয়েছে—যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুল করতে দলীয় সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করেন।

এতে আরও বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তা গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।

বাংলাদেশ সরকারের মতে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা—বিশেষ করে সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের—পরিপন্থি। এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্যই প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এই প্রথম ২৩ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোনো সহিংসতার জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী থাকবে—অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় আওয়ামী লীগের ওপর বর্তাবে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এক প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর সুস্পষ্ট উসকানি রয়েছে—যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ওই বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুল করতে দলীয় সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করেন।

এতে আরও বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বরং ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, শান্তি ও নিরাপত্তা গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছে ঢাকা।

বাংলাদেশ সরকারের মতে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা—বিশেষ করে সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের—পরিপন্থি। এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে বলে সতর্ক করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্যই প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে এবং এসব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এই প্রথম ২৩ জানুয়ারি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে কোনো প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে অংশ নেন শেখ হাসিনা।