ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

খুনির ভিডিও থাকা সত্ত্বেও মাত্র তিন বছরের সাজা, প্রশ্ন তুলছেন শহীদ আনাসের মা।


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যার মামলায় মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে নিহত শহীদ আনাসের মা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সন্তানের খুনির ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও শুধু তিন বছরের সাজা কেন? এই রায় আমরা মানতে পারি না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকাকালীন যদি বিচার না পাই, তাহলে কখন পাব?’

অপর শহীদ ইয়াকুবের মা বলেন, ‘তিন বছর পরে আসামিরা বের হয়ে যাবে, তখন আমাদের নিরাপত্তা কে দেবে?’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও সাবেক এডিসি (রমনা) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম। সব মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক রয়েছেন এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে—রমনা জোনের সাবেক এএসসি মোহাম্মদ ইমরুল ৬ বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন ৪ বছর, এবং কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদ ইমরুলও পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশন অভিযোগে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ওয়ারল্যাস বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের গুলির নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি চালায়। প্রমাণ হিসেবে আদালতে ১৯টি ভিডিও জমা দেওয়া হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় এটি দ্বিতীয় রায়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর প্রথম রায় ঘোষণা করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

খুনির ভিডিও থাকা সত্ত্বেও মাত্র তিন বছরের সাজা, প্রশ্ন তুলছেন শহীদ আনাসের মা।

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যার মামলায় মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে নিহত শহীদ আনাসের মা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সন্তানের খুনির ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও শুধু তিন বছরের সাজা কেন? এই রায় আমরা মানতে পারি না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকাকালীন যদি বিচার না পাই, তাহলে কখন পাব?’

অপর শহীদ ইয়াকুবের মা বলেন, ‘তিন বছর পরে আসামিরা বের হয়ে যাবে, তখন আমাদের নিরাপত্তা কে দেবে?’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ও সাবেক এডিসি (রমনা) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম। সব মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক রয়েছেন এবং তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে—রমনা জোনের সাবেক এএসসি মোহাম্মদ ইমরুল ৬ বছর, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন ৪ বছর, এবং কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে ৩ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মোহাম্মদ ইমরুলও পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশন অভিযোগে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ওয়ারল্যাস বার্তার মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের গুলির নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা চাইনিজ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি চালায়। প্রমাণ হিসেবে আদালতে ১৯টি ভিডিও জমা দেওয়া হয়।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় এটি দ্বিতীয় রায়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর প্রথম রায় ঘোষণা করা হয়।