ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে ‘গোমূত্র গবেষক’ পাচ্ছেন পদ্মশ্রী


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটি পদ্মশ্রী সম্মান পেয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠেছেন। শিক্ষাবিদ এবং গবেষক হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিতে তাকে পদ্মশ্রী দেওয়া হলেও কেরালা কংগ্রেস সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ওপর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছে।

২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভি কামাকোটি। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর তিনি বলেন, এটি তার ব্যক্তিগত নয়, বরং ‘সমষ্টিগত অর্জন’। তিনি ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে আরও বেশি কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এরপরই কেরালা কংগ্রেসের সাবেক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর আগের এক মন্তব্যকে ঘিরে ব্যঙ্গ করা হয়। গত বছর কামাকোটি দাবি করেছিলেন, গোমূত্রে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে এবং তা কিছু রোগে উপকারী হতে পারে। সেই মন্তব্যকে উদাহরণ দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে কটাক্ষ করা হয়।

পাল্টা জবাবে জোহো করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বু বলেন, ভি কামাকোটি ‘ডিপ টেক’-এর গবেষক এবং দেশের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি আরও দাবি করেন, গোমূত্র ও গোবরের মাইক্রোবায়োম নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি অস্বীকার করা ঠিক নয়।

এরপর কেরালা কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, কেন শুধু গরুর উৎপাদিত উপাদান নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে, অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রে কেন নয়। তারা মধ্যপ্রদেশে সরকারি অর্থায়নে হওয়া পঞ্চগব্য গবেষণার উদাহরণ টেনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলে।

সবশেষে কেরালা কংগ্রেস শ্রীধর ভেম্বুকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছে, যদি গোমূত্রের সত্যিকারের কার্যকারিতা থাকে, একজন বিলিয়নিয়ার হিসেবে তিনি নিজেই কেন এই গবেষণায় বিনিয়োগ করছেন না।

বিতর্কটি শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং রাজনীতির সীমারেখাকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ভারতে ‘গোমূত্র গবেষক’ পাচ্ছেন পদ্মশ্রী

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটি পদ্মশ্রী সম্মান পেয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠেছেন। শিক্ষাবিদ এবং গবেষক হিসেবে অবদানের স্বীকৃতিতে তাকে পদ্মশ্রী দেওয়া হলেও কেরালা কংগ্রেস সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ওপর ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছে।

২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভি কামাকোটি। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর তিনি বলেন, এটি তার ব্যক্তিগত নয়, বরং ‘সমষ্টিগত অর্জন’। তিনি ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যে আরও বেশি কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এরপরই কেরালা কংগ্রেসের সাবেক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর আগের এক মন্তব্যকে ঘিরে ব্যঙ্গ করা হয়। গত বছর কামাকোটি দাবি করেছিলেন, গোমূত্রে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ রয়েছে এবং তা কিছু রোগে উপকারী হতে পারে। সেই মন্তব্যকে উদাহরণ দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে কটাক্ষ করা হয়।

পাল্টা জবাবে জোহো করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীধর ভেম্বু বলেন, ভি কামাকোটি ‘ডিপ টেক’-এর গবেষক এবং দেশের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি আরও দাবি করেন, গোমূত্র ও গোবরের মাইক্রোবায়োম নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি অস্বীকার করা ঠিক নয়।

এরপর কেরালা কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, কেন শুধু গরুর উৎপাদিত উপাদান নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে, অন্য প্রাণীর ক্ষেত্রে কেন নয়। তারা মধ্যপ্রদেশে সরকারি অর্থায়নে হওয়া পঞ্চগব্য গবেষণার উদাহরণ টেনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলে।

সবশেষে কেরালা কংগ্রেস শ্রীধর ভেম্বুকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছে, যদি গোমূত্রের সত্যিকারের কার্যকারিতা থাকে, একজন বিলিয়নিয়ার হিসেবে তিনি নিজেই কেন এই গবেষণায় বিনিয়োগ করছেন না।

বিতর্কটি শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং রাজনীতির সীমারেখাকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।