ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ইসরাইল পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধন করছে


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৯৯ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

১৯৬৭ সালের ইসরাইলি দখলের পর প্রথমবারের মতো অধিকৃত পশ্চিম তীরের বড় অংশকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে তেল আবিব।

ইসরাইলি পাবলিক ব্রডকাস্টার কেএএন-এর বরাত দিয়ে আল জাজিরা রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জানায়, এই প্রস্তাব উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জমা দিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুসারে, অধিকাংশ ফিলিস্তিনি জমি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত নয়, কারণ এটি একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, যা ১৯৬৭ সালে ইসরাইল বন্ধ করে দিয়েছিল।

এর আগে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনি জমি ইহুদি বসতকারীদের কাছে বিক্রি করা সহজ হবে এবং ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইসরাইলি কর্তৃত্ব বাড়বে।

নতুন ব্যবস্থায় পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া খোলা হচ্ছে, যা ইসরাইলি বসতকারীদের জন্য ফিলিস্তিনি জমি কেনা সহজ করবে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা কমিয়ে ইসরাইলি সামরিক ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই সিদ্ধান্তকে বিপজ্জনক, অবৈধ ও সংযুক্তিকরণের সমতুল্য আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

হামাস পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের দখলদারী ও বসতকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। সৌদি আরব, জর্ডান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও মিশর এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব চাপানোর চেষ্টা। ইউরোপীয় ইউনিয়নও একে ‘ভুল পথে আরেকটি ধাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

ইসরাইল পশ্চিম তীরের জমি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে নিবন্ধন করছে

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৯৬৭ সালের ইসরাইলি দখলের পর প্রথমবারের মতো অধিকৃত পশ্চিম তীরের বড় অংশকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে নিবন্ধনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে তেল আবিব।

ইসরাইলি পাবলিক ব্রডকাস্টার কেএএন-এর বরাত দিয়ে আল জাজিরা রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জানায়, এই প্রস্তাব উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ, বিচারমন্ত্রী ইয়ারিভ লেভিন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জমা দিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুসারে, অধিকাংশ ফিলিস্তিনি জমি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত নয়, কারণ এটি একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া, যা ১৯৬৭ সালে ইসরাইল বন্ধ করে দিয়েছিল।

এর আগে, অধিকৃত পশ্চিম তীরের ওপর ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা বেশ কিছু কঠোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ফিলিস্তিনি জমি ইহুদি বসতকারীদের কাছে বিক্রি করা সহজ হবে এবং ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ইসরাইলি কর্তৃত্ব বাড়বে।

নতুন ব্যবস্থায় পশ্চিম তীরে ভূমি নিবন্ধন প্রক্রিয়া খোলা হচ্ছে, যা ইসরাইলি বসতকারীদের জন্য ফিলিস্তিনি জমি কেনা সহজ করবে। একইসঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা কমিয়ে ইসরাইলি সামরিক ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এই সিদ্ধান্তকে বিপজ্জনক, অবৈধ ও সংযুক্তিকরণের সমতুল্য আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

হামাস পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের দখলদারী ও বসতকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে। সৌদি আরব, জর্ডান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও মিশর এই সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি সার্বভৌমত্ব চাপানোর চেষ্টা। ইউরোপীয় ইউনিয়নও একে ‘ভুল পথে আরেকটি ধাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।