ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সময় ও প্রক্রিয়া কী?


বঙ্গ সংবাদ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮২ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও শপথ নিয়েছেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে—রাষ্ট্রপতি পদে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, এলে কবে এবং কীভাবে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে। তবে গণঅভ্যুত্থানের মুখে সেই সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। শুরু থেকেই এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছেই শপথ নেয়।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আইনগতভাবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ নেই। সংবিধান বিশ্লেষকদের মতে, তিনি পদত্যাগ না করলে বা অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত না হলে নতুন কেউ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারবেন না।

বিবিসি বাংলাকে আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষক কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। পদ শূন্য হলেই কেবল নতুন সংসদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও সংস্কার প্রস্তাব

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অনেকেই এ পদকে ‘আলংকারিক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে রাজনৈতিক সংকট বা বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির গুরুত্ব বেড়ে যায়। শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সংসদ ভেঙে গেলে রাষ্ট্রপতি একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে বহাল থাকেন, যা এ পদটির গুরুত্ব নতুন করে সামনে আনে।

সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে পারেন। যদিও বাস্তবে এ ক্ষমতার প্রয়োগ সীমিত।

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রস্তুত হওয়া ‘জুলাই সনদ’-এ রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। গণভোটে এ সনদের পক্ষে রায় আসায় তা বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এসব বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন, যা সময়সাপেক্ষ বলে জানিয়েছেন কাজী জাহেদ ইকবাল।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার বিধান

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর এবং একজন সর্বোচ্চ দুইবার এ পদে থাকতে পারেন।

রাষ্ট্রপতির পদ তিনভাবে শূন্য হতে পারে—মেয়াদ শেষ হলে, পদত্যাগ করলে অথবা অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করা হলে। শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা কিংবা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগেও অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া যায়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হলেও তিনি পদত্যাগ করেননি।

তবে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর তিনি দায়িত্ব ছাড়তে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিজেকে ‘অপমানিত’ মনে করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তা সত্ত্বেও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের স্বার্থে পদে বহাল ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া

সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। প্রার্থী হওয়ার জন্য বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে এবং সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজন করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্তার দায়িত্ব পালন করেন এবং স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদ শূন্য হলে মেয়াদ শেষের ৯০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। একজন প্রার্থীর মনোনয়নের জন্য অন্তত দুইজন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না।

ভোটগ্রহণ সংসদের অধিবেশন চলাকালে অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশন না থাকলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তত সাত দিন আগে অধিবেশন আহ্বান করা হয়।

সামনে কী হতে পারে

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তনের প্রশ্ন সামনে আসতে পারে। রাষ্ট্রপতি যদি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন, তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। যেহেতু তিনি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাই এ ক্ষেত্রে জটিলতা কম হতে পারে।

তবে সংসদের প্রথম অধিবেশন এখনো শুরু হয়নি। সে কারণে অধিবেশন শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন হবে কি না, তা নির্ভর করছে বর্তমান রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত এবং সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সময় ও প্রক্রিয়া কী?

আপডেট সময় : ১২:২০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরাও শপথ নিয়েছেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে—রাষ্ট্রপতি পদে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, এলে কবে এবং কীভাবে।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে। তবে গণঅভ্যুত্থানের মুখে সেই সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। শুরু থেকেই এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারও রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছেই শপথ নেয়।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আইনগতভাবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুযোগ নেই। সংবিধান বিশ্লেষকদের মতে, তিনি পদত্যাগ না করলে বা অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত না হলে নতুন কেউ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারবেন না।

বিবিসি বাংলাকে আইনজীবী ও সংবিধান বিশ্লেষক কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার নির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। পদ শূন্য হলেই কেবল নতুন সংসদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও সংস্কার প্রস্তাব

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অনেকেই এ পদকে ‘আলংকারিক’ বলে উল্লেখ করেন। তবে রাজনৈতিক সংকট বা বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির গুরুত্ব বেড়ে যায়। শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর সংসদ ভেঙে গেলে রাষ্ট্রপতি একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে বহাল থাকেন, যা এ পদটির গুরুত্ব নতুন করে সামনে আনে।

সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে পারেন। যদিও বাস্তবে এ ক্ষমতার প্রয়োগ সীমিত।

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রস্তুত হওয়া ‘জুলাই সনদ’-এ রাষ্ট্রপতির কিছু ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। গণভোটে এ সনদের পক্ষে রায় আসায় তা বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে নিয়োগ দিতে পারবেন। তবে এসব বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন, যা সময়সাপেক্ষ বলে জানিয়েছেন কাজী জাহেদ ইকবাল।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার বিধান

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর এবং একজন সর্বোচ্চ দুইবার এ পদে থাকতে পারেন।

রাষ্ট্রপতির পদ তিনভাবে শূন্য হতে পারে—মেয়াদ শেষ হলে, পদত্যাগ করলে অথবা অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করা হলে। শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা কিংবা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগেও অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া যায়।

২০২৪ সালের অক্টোবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হলেও তিনি পদত্যাগ করেননি।

তবে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নির্বাচনের পর তিনি দায়িত্ব ছাড়তে চান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিজেকে ‘অপমানিত’ মনে করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তা সত্ত্বেও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের স্বার্থে পদে বহাল ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া

সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। প্রার্থী হওয়ার জন্য বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর হতে হবে এবং সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।

রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন আয়োজন করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্তার দায়িত্ব পালন করেন এবং স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে তফসিল ঘোষণা করা হয়।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে পদ শূন্য হলে মেয়াদ শেষের ৯০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। একজন প্রার্থীর মনোনয়নের জন্য অন্তত দুইজন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। একক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন হয় না।

ভোটগ্রহণ সংসদের অধিবেশন চলাকালে অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশন না থাকলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তত সাত দিন আগে অধিবেশন আহ্বান করা হয়।

সামনে কী হতে পারে

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তনের প্রশ্ন সামনে আসতে পারে। রাষ্ট্রপতি যদি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন, তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। যেহেতু তিনি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তাই এ ক্ষেত্রে জটিলতা কম হতে পারে।

তবে সংসদের প্রথম অধিবেশন এখনো শুরু হয়নি। সে কারণে অধিবেশন শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন হবে কি না, তা নির্ভর করছে বর্তমান রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত এবং সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর।