ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

তিন সিটি করপোরেশন দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২৮ বার পড়া হয়েছে

ফাইল ছবি

মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে ইসিকে চিঠি দিয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি ৯টি সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৭টি উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে আদালতের নির্দেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।

ইসি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সে সময় ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার তখন আর এগোয়নি।

আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালের ২ জুন, সে হিসেবে এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ১ জুন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ২০২০ সালের ৩ জুন, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ২ জুন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।

এ কারণে এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইসি। চিঠি পাওয়ার পর ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণ, প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে সময় স্বল্পতার কারণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচন আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ঈদের পর পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

তিন সিটি করপোরেশন দিয়ে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

আপডেট সময় : ১০:৫৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে ইসিকে চিঠি দিয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি ৯টি সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর মেয়র, চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদের পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, ৪৯৭টি উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তবে আদালতের নির্দেশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহাদাত হোসেন।

ইসি সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সে সময় ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে ইসিকে চিঠি দেওয়া হয়। তবে বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার তখন আর এগোয়নি।

আইন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২০ সালের ২ জুন, সে হিসেবে এর মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ১ জুন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয় ২০২০ সালের ৩ জুন, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ২ জুন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।

এ কারণে এই তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ইসি। চিঠি পাওয়ার পর ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা নির্ধারণ, প্রার্থী যাচাই-বাছাই এবং নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে সময় স্বল্পতার কারণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচন আয়োজন করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ঈদের পর পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।