খামেনিকে হত্যা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কঠোর বার্তা ইরানের প্রেসিডেন্টের
- আপডেট সময় : ১১:১৪:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
- / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
রোববার (১ মার্চ) সকালে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে খামেনির হত্যাকে ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে এর কঠোর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “এই গুরুতর অপরাধের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। এটি ইসলামি বিশ্ব ও শিয়াবাদের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।” পাশাপাশি ইসলামি জাতি ও বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের সমর্থন নিয়ে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
পেজেশকিয়ান ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে সাত দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে আয়াতুল্লাহ খামেনির ওপর হামলা চালানো হয়। রোববার তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিতে খামেনির বাসভবনের একটি অংশ ধসে পড়া এবং বিস্ফোরণের চিহ্ন দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, দায়িত্ব পালনের সময় শনিবার ভোরেই তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই বিপ্লবের মাধ্যমে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে দেশটিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কায়েম করা হয়। এরপর থেকে দুজন সুপ্রিম লিডার দায়িত্ব পালন করেছেন। শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে ‘আয়াতুল্লাহ’ উপাধিটি জ্যেষ্ঠ ধর্মীয় নেতাকে বোঝায়। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন।



























