ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, কুপিয়ে কর্মীর কবজি বিচ্ছিন্ন


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৮৪ বার পড়া হয়েছে

প্রতিকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে এক যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক যুবদল কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রিপন (২৮) নামের ওই কর্মীকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আল আমিন দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকবিরোধী পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে ইসমাইল দলবল নিয়ে তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আল আমিনের ভাষ্য, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইসমাইলের নেতৃত্বে কয়েকজন তার ইট-বালুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। তারা দোকানের সাটার ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকা নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে কর্মী রিপনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল হোসেন পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, ভারত থেকে চোরাই পথে আনা চকলেটভর্তি একটি ট্রাক আটকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেন আল আমিন। ওই টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আল আমিনের নিজের সহযোগীরাই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, কুপিয়ে কর্মীর কবজি বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জেরে এক যুবদল নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক যুবদল কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রিপন (২৮) নামের ওই কর্মীকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আল আমিন দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদকবিরোধী পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে ইসমাইল দলবল নিয়ে তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আল আমিনের ভাষ্য, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইসমাইলের নেতৃত্বে কয়েকজন তার ইট-বালুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। তারা দোকানের সাটার ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ টাকা নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে কর্মী রিপনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল হোসেন পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, ভারত থেকে চোরাই পথে আনা চকলেটভর্তি একটি ট্রাক আটকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা নেন আল আমিন। ওই টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আল আমিনের নিজের সহযোগীরাই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।