জামায়াতের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত কৃষকদল নেতার মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ০৩:১৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
- / ২০৯৪ বার পড়া হয়েছে
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষের সময় কৃষকদল নেতা তরু মুন্সী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে শেষ হয়। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা এবং নিহতের স্বজনরা বক্তব্য দেন।
বিএনপির জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট এম এ মজিদ বলেন, “জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীকে বেধড়ক মারধর করেছে। তার মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে, যার কারণে তিনি মারা গেছেন। আমরা এই নৃশংস হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অন্যদিকে, জেলা জামায়াতের পক্ষ দাবি করেছে, তরু মুন্সীর মৃত্যু স্ট্রোকজনিত কারণে হয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলা জামায়াত কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমির ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “মাধবপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল চলছিল। সেই সময় বিএনপির কিছু ব্যক্তি মহিলা কর্মীদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন।”
ড. হাবিবুর রহমান আরও বলেন, “তরু মুন্সী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে স্ট্রোক হয় এবং তিনি মারা যান। এ ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বর্তমানে আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা এবং দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে।”
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে মাধবপুরে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতার আয়োজন করা হয়। পরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মহিলা কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন এবং তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। সেখানে রাত ৮টায় তিনি মারা যান। তরু মুন্সী ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।






















