ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে পরিত্যক্ত ঘর থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার পুলিশের স্বেচ্ছাচারিতায় আরামে ঘুরছে-ঘুমাচ্ছে, খাচ্ছে-থাকছে আসামীরা! জামালপুরে এক সন্তানের জননীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ড জনসেবায় সরাসরি মানুষের পাশে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের গণশুনানি পারিবারিক কলহ থামাতে গিয়ে বাঁশখালী পৌরসভায় এক যুবক নিহত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নির্দেশের মধ্যেই গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি সাতক্ষীরায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ শুরু ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন জাতিসংঘ অধিবেশনে একাধিক বৈঠকে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মব কালচার আর অ্যালাউ করা হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৯৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

দেশে চলমান তথাকথিত ‘মব কালচার’ বা গণপিটুনির মতো বিশৃঙ্খল প্রবণতা আর সহ্য করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দাবি আদায়ের নামে সড়ক অবরোধ বা জনসমাগমের আড়ালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ তুলে বর্তমান সময়ে মব কালচারের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে এ ধরনের ঘটনায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এছাড়া তিনি নিজেও গত ২১ ফেব্রুয়ারি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানান এবং এ প্রবণতা রোধে সরকারের উদ্যোগ জানতে চান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার স্পষ্ট করেছে—বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার চলবে না। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দাবি আদায়ের নামে সড়ক বা মহাসড়ক অবরোধের যে প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, তা ভবিষ্যতে আর অনুমোদন দেওয়া হবে না।

মব ও পরিকল্পিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সব ঘটনাকে মব কালচার হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর পরিকল্পিত অপরাধের মধ্যে পড়ে, যা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান, সেমিনার বা জনসমাবেশ আয়োজনের মতো বৈধ উপায়ে দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে। সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

× Advertisement

মব কালচার আর অ্যালাউ করা হবে না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দেশে চলমান তথাকথিত ‘মব কালচার’ বা গণপিটুনির মতো বিশৃঙ্খল প্রবণতা আর সহ্য করা হবে না বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দাবি আদায়ের নামে সড়ক অবরোধ বা জনসমাগমের আড়ালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

সোমবার (৩০ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অধিবেশনে রুমিন ফারহানা বিগত সরকারের সময়ের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গ তুলে বর্তমান সময়ে মব কালচারের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে এ ধরনের ঘটনায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। এছাড়া তিনি নিজেও গত ২১ ফেব্রুয়ারি এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানান এবং এ প্রবণতা রোধে সরকারের উদ্যোগ জানতে চান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার স্পষ্ট করেছে—বাংলাদেশে কোনো ধরনের মব কালচার চলবে না। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দাবি আদায়ের নামে সড়ক বা মহাসড়ক অবরোধের যে প্রবণতা দেখা গিয়েছিল, তা ভবিষ্যতে আর অনুমোদন দেওয়া হবে না।

মব ও পরিকল্পিত অপরাধের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সব ঘটনাকে মব কালচার হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক নয়। কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনায় হামলা-ভাঙচুর পরিকল্পিত অপরাধের মধ্যে পড়ে, যা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত করে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়।

তিনি আরও বলেন, জনগণের দাবি থাকতেই পারে, তবে তা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান, সেমিনার বা জনসমাবেশ আয়োজনের মতো বৈধ উপায়ে দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে। সরকার বাকস্বাধীনতা ও সংগঠনের অধিকার নিশ্চিত করবে, তবে মবের মাধ্যমে দাবি আদায়ের সংস্কৃতি থেকে সরে আসতে হবে।